পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার পাথরঘাটায় পালিত কুকুরের কামড়ে চারজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরলাঠিমারা হরিনঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আহতেরা হলেন—ওই এলাকার আব্দুল হালিম হাওলাদারের ছেলে ঈসা (৩০), মো. আজাহার হাওলাদারের ছেলে আব্দুল মান্নান (৭০), মোসলেম আলীর ছেলে সুমন (১৮) ও আদম আলীর ছেলে শাহ জাহান (৫০)। তাদের মধ্যে শাহ জাহানের হাতের একটি আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে কুকুরটি।
আহত ঈসা জানান, পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হরিণঘাটা বাজারে সকাল ৭টার দিকে তাঁরা সবাই আসেন। এর কিছুক্ষণ পরেই চলারলাঠিমারা এলাকার বেলাল হোসেনের পালিত ৪টি কুকুর হঠাৎ বাজারে প্রবেশ করে ইশা, মন্নান, সুমন ও শাজাহানের ওপর আক্রমণ করে। এ সময় শাহজাহানের হাতের একটি আঙুল কুকুর কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। স্থানীয় লোকজনে ওই পাগলা কুকুরের হাত থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে চিকিৎসা দেন।
আহতেরা আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই বেলাল হোসেন কুকুরগুলো পালন করছে। এই কুকুর গরু, ছাগলসহ গৃহপালিত পশু পাখিকে আক্রমণ করে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এমনকি হরিণঘাটা বনের মধ্যে ঢুকে হরিণের ওপর আক্রমণ করে মেরে ফেলে। এ নিয়ে কুকুরের মালিক বেলালের কাছে জানালে তিনি উল্টো ধমক দেন।
বেল্লালের বড় ভাই হিরু দফাদার জানান, তার ছোট ভাই বেল্লালের পালিত চারটি কুকুর হরিণঘাটা বাজারে মধ্যে এসে চারজনকে কামড়ে আহত করেছে। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। বিষয়টি বেলালকে বলতে গেলে তাঁকে উল্টো অকথ্য ভাষায় গালি দেন।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, সকালে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চারজন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের হাতে আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও পাথরঘাটায় প্রতিদিনই চার থেকে পাঁচজন লোক কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন।
তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যে পরিমাণ ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয় এতে সব রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয় না। অন্য উপজেলার চেয়ে পাথরঘাটায় কুকুরের কামড়ে আহত বেশি হয়।
তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকেও যদি কুকুরদের ধরে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় তাহলে আক্রমণ হলেও বড় ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

বরগুনার পাথরঘাটায় পালিত কুকুরের কামড়ে চারজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরলাঠিমারা হরিনঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আহতেরা হলেন—ওই এলাকার আব্দুল হালিম হাওলাদারের ছেলে ঈসা (৩০), মো. আজাহার হাওলাদারের ছেলে আব্দুল মান্নান (৭০), মোসলেম আলীর ছেলে সুমন (১৮) ও আদম আলীর ছেলে শাহ জাহান (৫০)। তাদের মধ্যে শাহ জাহানের হাতের একটি আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে কুকুরটি।
আহত ঈসা জানান, পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হরিণঘাটা বাজারে সকাল ৭টার দিকে তাঁরা সবাই আসেন। এর কিছুক্ষণ পরেই চলারলাঠিমারা এলাকার বেলাল হোসেনের পালিত ৪টি কুকুর হঠাৎ বাজারে প্রবেশ করে ইশা, মন্নান, সুমন ও শাজাহানের ওপর আক্রমণ করে। এ সময় শাহজাহানের হাতের একটি আঙুল কুকুর কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। স্থানীয় লোকজনে ওই পাগলা কুকুরের হাত থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে চিকিৎসা দেন।
আহতেরা আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই বেলাল হোসেন কুকুরগুলো পালন করছে। এই কুকুর গরু, ছাগলসহ গৃহপালিত পশু পাখিকে আক্রমণ করে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এমনকি হরিণঘাটা বনের মধ্যে ঢুকে হরিণের ওপর আক্রমণ করে মেরে ফেলে। এ নিয়ে কুকুরের মালিক বেলালের কাছে জানালে তিনি উল্টো ধমক দেন।
বেল্লালের বড় ভাই হিরু দফাদার জানান, তার ছোট ভাই বেল্লালের পালিত চারটি কুকুর হরিণঘাটা বাজারে মধ্যে এসে চারজনকে কামড়ে আহত করেছে। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। বিষয়টি বেলালকে বলতে গেলে তাঁকে উল্টো অকথ্য ভাষায় গালি দেন।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, সকালে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চারজন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের হাতে আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও পাথরঘাটায় প্রতিদিনই চার থেকে পাঁচজন লোক কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন।
তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যে পরিমাণ ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয় এতে সব রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয় না। অন্য উপজেলার চেয়ে পাথরঘাটায় কুকুরের কামড়ে আহত বেশি হয়।
তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকেও যদি কুকুরদের ধরে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় তাহলে আক্রমণ হলেও বড় ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে