পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার পাথরঘাটার কাঁঠালতলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সরকারি সড়কের ইট নিজের বাড়ি নির্মাণে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলে না বলে জানায় এলাকাবাসী।
কাঁঠালতলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রায় এক বছর আগে ১২ শ ফুট সড়কের ইট ইউপি সদস্য সাওগাতুল আলম ছবির শিকদারের জিম্মায় রাখা হয়েছিল। এরপর ইটগুলো দিয়ে তিনি কী করেছেন তা জানা নেই।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কাঁঠালতলি ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের অশ্রু মাস্টার বাড়ি থেকে চৌকিদার বাড়ি এবং কামাড়হাট থেকে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত ১২ শ ফুট ইটের সড়ক তৈরি করা হয়েছে। ওই সড়কে আগের সব ইট তুলে ট্রাক ভর্তি করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান সওগাতুল আলম ছগির সিকদার। তাঁর বাড়ি গিয়েও এর সত্যতা পাওয়া যায়।
ওই এলাকার দফাদার আব্দুর রহমান বলেন, এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ১০ বছর আগে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্টের (এলজিএসপি) অর্থায়নে পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অশ্রু মাস্টার বাড়ি থেকে চৌকিদার বাড়ি এবং কামাড়হাট থেকে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত ইটের সড়ক নির্মাণ করা হয়। একই সড়কে আবারও ইটের সলিং কাজ এনে পুরোনো ইটগুলো তুলে সওগাতুল আলম ছগির সিকদার ট্রাকে করে তাঁর বাড়িতে ঘর তোলার খোয়া বানিয়ে পাকা ভবন নির্মাণকাজে লাগাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় তাঁর এ অপকর্মের প্রতিবাদ করতে কেউ সাহস করেনি। রাস্তার বেহাল দশায় এলাকার মানুষের চলাচল ও জমির ফসল আনা-নেওয়াসহ সব কাজে বিঘ্নিত হচ্ছে। সড়কের ইট নিয়ে মেম্বারের বাড়ি নির্মাণ করার এ রকম কাজের জন্য তাঁরা বিচার চান।
স্থানীয় ইউপির সাবেক সদস্য দেলোয়ার তানভীর লাকী বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি সড়কের ইট নিয়ে নিজের বাড়ি তৈরি করেন এটা নজিরবিহীন ঘটনা। এই ইট দিয়ে অন্য কোনো স্থানে সড়ক নির্মাণ করতে পারতেন। একজন ইউপি সদস্যের এ রকম কাজ দেখে আমরা বিব্রত বোধ করছি। এর বিচার হওয়া উচিত।’
এ বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য সওগাতুল আলম ছগির সিকদারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে বাড়িতে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সড়কের ইট নেওয়ার বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। তিনি যদি এই কাজ করে থাকেন, তবে আইনবিরোধী কাজ করেছেন। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বরগুনা জেলা উপপরিচালক মো. তানভীর আজকের পত্রিকাকে বলেন, সড়কের ইট নিয়ে ইউপি সদস্যের বাড়ি নির্মাণ করার কোনো সুযোগ নেই। এমন তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেনি। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বরগুনার পাথরঘাটার কাঁঠালতলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সরকারি সড়কের ইট নিজের বাড়ি নির্মাণে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলে না বলে জানায় এলাকাবাসী।
কাঁঠালতলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রায় এক বছর আগে ১২ শ ফুট সড়কের ইট ইউপি সদস্য সাওগাতুল আলম ছবির শিকদারের জিম্মায় রাখা হয়েছিল। এরপর ইটগুলো দিয়ে তিনি কী করেছেন তা জানা নেই।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কাঁঠালতলি ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের অশ্রু মাস্টার বাড়ি থেকে চৌকিদার বাড়ি এবং কামাড়হাট থেকে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত ১২ শ ফুট ইটের সড়ক তৈরি করা হয়েছে। ওই সড়কে আগের সব ইট তুলে ট্রাক ভর্তি করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান সওগাতুল আলম ছগির সিকদার। তাঁর বাড়ি গিয়েও এর সত্যতা পাওয়া যায়।
ওই এলাকার দফাদার আব্দুর রহমান বলেন, এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ১০ বছর আগে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্টের (এলজিএসপি) অর্থায়নে পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অশ্রু মাস্টার বাড়ি থেকে চৌকিদার বাড়ি এবং কামাড়হাট থেকে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত ইটের সড়ক নির্মাণ করা হয়। একই সড়কে আবারও ইটের সলিং কাজ এনে পুরোনো ইটগুলো তুলে সওগাতুল আলম ছগির সিকদার ট্রাকে করে তাঁর বাড়িতে ঘর তোলার খোয়া বানিয়ে পাকা ভবন নির্মাণকাজে লাগাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় তাঁর এ অপকর্মের প্রতিবাদ করতে কেউ সাহস করেনি। রাস্তার বেহাল দশায় এলাকার মানুষের চলাচল ও জমির ফসল আনা-নেওয়াসহ সব কাজে বিঘ্নিত হচ্ছে। সড়কের ইট নিয়ে মেম্বারের বাড়ি নির্মাণ করার এ রকম কাজের জন্য তাঁরা বিচার চান।
স্থানীয় ইউপির সাবেক সদস্য দেলোয়ার তানভীর লাকী বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি সড়কের ইট নিয়ে নিজের বাড়ি তৈরি করেন এটা নজিরবিহীন ঘটনা। এই ইট দিয়ে অন্য কোনো স্থানে সড়ক নির্মাণ করতে পারতেন। একজন ইউপি সদস্যের এ রকম কাজ দেখে আমরা বিব্রত বোধ করছি। এর বিচার হওয়া উচিত।’
এ বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য সওগাতুল আলম ছগির সিকদারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে বাড়িতে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সড়কের ইট নেওয়ার বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। তিনি যদি এই কাজ করে থাকেন, তবে আইনবিরোধী কাজ করেছেন। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বরগুনা জেলা উপপরিচালক মো. তানভীর আজকের পত্রিকাকে বলেন, সড়কের ইট নিয়ে ইউপি সদস্যের বাড়ি নির্মাণ করার কোনো সুযোগ নেই। এমন তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেনি। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে