
বরগুনার পাথরঘাটায় আদালতে হাজিরা দিতে এসে আদালত চত্বরে হামলার শিকার হয়েছেন একটি মামলার বাদী মো. মানিক ও তাঁর স্ত্রী রেখা বেগম। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে আটক বেল্লাল হোসেন নামে এক হামলাকারীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। আদালতের বিচারক শেখ মো. পনির এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৩১/২৬ নম্বর মামলার এক আসামি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। ওই আসামির জামিন শুনানির দিন ধার্য থাকায় মামলার বাদী রেখা বেগম ও তাঁর স্বামী মো. মানিক আদালতে উপস্থিত হন। শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
পরে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় বেল্লাল হোসেনসহ কয়েকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে দায়িত্বরত পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বেল্লাল হোসেনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
পরে বিচারক শেখ মো. পনির আদালত প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও হামলার ঘটনায় বেল্লাল হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের স্টেনোগ্রাফার আল মামুন জানান, আদালত থেকে বের হওয়ার সময় মামলার বাদীর ওপর হামলার ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকেই বেল্লাল হোসেনকে আটক করে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

ইতিহাস-সংশ্লিষ্ট সূত্র ও এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৮০০ সালের দিকে চুন-সুরকি দিয়ে নির্মিত ছয় কক্ষবিশিষ্ট এই ভবনটি ছিল ব্রিটিশ নীলকরদের অন্যতম প্রশাসনিক কেন্দ্র। ভবনের চারপাশে এখনো দাঁড়িয়ে থাকা সাতটি প্রাচীন দেবদারুগাছ যেন সময়ের প্রহরী হয়ে অতীতের স্মৃতি বহন করে চলেছে।
২৫ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলীতে পায়রা নদী থেকে বস্তাবন্দী ৩০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার মধ্য আড়পাঙ্গাশিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সপ্তাহখানেক আগে ওই যুবককে হত্যার পর বস্তাবন্দী করে নদীতে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।
১ ঘণ্টা আগে
মাত্র দুই মাস আগে স্বামীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা। সেই শোক ও বিচারের দাবি বুকে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন স্ত্রী। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—স্বামীর ঘাতকদের বিচার দেখে যাওয়ার আগেই একই দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন সেই স্ত্রী অন্তরাও...
১ ঘণ্টা আগে
মামুনুল হক আরও বলেন, ‘এই বিপ্লবের প্রতি আমাদের আবেগের কারণ, এর জন্য অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। ২০২৪ সালে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হলেও এর বীজ রোপিত হয়েছিল ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনায়। সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে একের পর এক আন্দোলন হয়েছে। এর ফলে আমাদের দীর্ঘ সময় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটাতে হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে