তারিকুল ইসলাম, পাথরঘাটা (বরগুনা)

‘আমার জীবনের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমার মতো হতভাগা আর কে আছে! একসঙ্গে আমার তিন ছেলে মারা গেল। দুই বছর আগে আমার ছোট ছেলে (৭ মাস) পানিতে ডুবে মারা গেছে।’
চার সন্তান হারিয়ে যেন জীবনের প্রতিই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ভেসকি গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন খান।
নাসির উদ্দিন দুঃখ আর অভিমান মাখা কণ্ঠে বলেন, ‘জীবনে কী অপরাধ ছিল জানি না। আমার চার ছেলে ছিল। আজ কেউ নাই। আমি শ্রমিকের কাজ করি। আমার সংসারের জন্য বড় পোলারে চাকরি করতে দিছি সাভারে। সে আমার পরিবারে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দিত। আমাদের দুজনের আয় দিয়ে কোনো রকমে জীবন যাপন করতাম। এখন সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।’
বরগুনার পাথরঘাটায় বাসের চাপায় নিহত মোটরসাইকেলের আরোহী তিন ভাইয়ের দাফন গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সম্পন্ন হয়েছে।
মামাবাড়িতে ঈদের বাজার দিতে যাওয়ার পথে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের সোনার বাংলা এলাকায় দুর্ঘটনাস্থলে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন ভাই মারা যায়।
নিহত তিন ভাই হচ্ছেন— মো. নাঈমুজ্জামান খান ওরফে শুভ (২২), মো. শান্ত খান (১৪) ও মো. নাদিম খান (৮)। তাঁরা মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভেসকি গ্রামে নাসির উদ্দিন খানের ছেলে। দুর্ঘটনার পরপরই তিন ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। সেখান থেকে লাশ বিকেলে আনা হয় মঠবাড়িয়ার গুলশাখালী গ্রামে তাঁদের নানাবাড়িতে।
বাবা চট্টগ্রামে দিনমজুরের কাজ করার কারণে এই বাড়িতেই মায়ের কাছে থাকত তারা। সেখানে সন্ধ্যার আগে জানাজা শেষে লাশ তিনটি স্বজনেরা মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ভেসকি গ্রামে পৈতৃক বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে রাত সাড়ে ১২টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
তিন ভাইয়ের একসঙ্গে মৃত্যুর খবরে আহাজারি চলছে নিহতদের দাদা ও নানাবাড়িতে।
নিহতদের মা বলেন, ‘আমার তিনটা ছেলেই রোজা অবস্থায় মারা গেছে। ওদের অনেক ইচ্ছা ছিল বড় ভাই ঢাকা থেকে ঈদের নতুন পোশাক নিয়ে আসছে, এগুলো পরে একসাথে ঈদে আনন্দ করবে। কিন্তু আজ আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।’ এই বলে বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন তিনি।
টিকিকাটার স্থানীয় ইসাহাক খান রিয়ান আজকের পত্রিকাকে জানান, শুভ আমার থেকে কয়েক বছরের ছোট। ওদের তিন ভাইয়ের আচার-ব্যবহার আমাদের মুগ্ধ করত। ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে তিন ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। এতে পুরো মঠবাড়িয়া উপজেলায় শোক বইছে।
মো. মঞ্জুরুল ইসলাম নামে একজন ইউপি সদস্য বলেন, ‘এর আগে আমাদের গ্রামে একসঙ্গে তিনজনের লাশ কেউ দেখিনি। নাসির খান তার পরিবার নিয়ে আমাদের এখানে বাস করত। সে শ্রমিক হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কাজ করে। তিন ভাইয়ের একসঙ্গে মৃত্যুতে এবারের ঈদে আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে।’

‘আমার জীবনের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমার মতো হতভাগা আর কে আছে! একসঙ্গে আমার তিন ছেলে মারা গেল। দুই বছর আগে আমার ছোট ছেলে (৭ মাস) পানিতে ডুবে মারা গেছে।’
চার সন্তান হারিয়ে যেন জীবনের প্রতিই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ভেসকি গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন খান।
নাসির উদ্দিন দুঃখ আর অভিমান মাখা কণ্ঠে বলেন, ‘জীবনে কী অপরাধ ছিল জানি না। আমার চার ছেলে ছিল। আজ কেউ নাই। আমি শ্রমিকের কাজ করি। আমার সংসারের জন্য বড় পোলারে চাকরি করতে দিছি সাভারে। সে আমার পরিবারে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দিত। আমাদের দুজনের আয় দিয়ে কোনো রকমে জীবন যাপন করতাম। এখন সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।’
বরগুনার পাথরঘাটায় বাসের চাপায় নিহত মোটরসাইকেলের আরোহী তিন ভাইয়ের দাফন গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সম্পন্ন হয়েছে।
মামাবাড়িতে ঈদের বাজার দিতে যাওয়ার পথে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের সোনার বাংলা এলাকায় দুর্ঘটনাস্থলে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন ভাই মারা যায়।
নিহত তিন ভাই হচ্ছেন— মো. নাঈমুজ্জামান খান ওরফে শুভ (২২), মো. শান্ত খান (১৪) ও মো. নাদিম খান (৮)। তাঁরা মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভেসকি গ্রামে নাসির উদ্দিন খানের ছেলে। দুর্ঘটনার পরপরই তিন ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। সেখান থেকে লাশ বিকেলে আনা হয় মঠবাড়িয়ার গুলশাখালী গ্রামে তাঁদের নানাবাড়িতে।
বাবা চট্টগ্রামে দিনমজুরের কাজ করার কারণে এই বাড়িতেই মায়ের কাছে থাকত তারা। সেখানে সন্ধ্যার আগে জানাজা শেষে লাশ তিনটি স্বজনেরা মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ভেসকি গ্রামে পৈতৃক বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে রাত সাড়ে ১২টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
তিন ভাইয়ের একসঙ্গে মৃত্যুর খবরে আহাজারি চলছে নিহতদের দাদা ও নানাবাড়িতে।
নিহতদের মা বলেন, ‘আমার তিনটা ছেলেই রোজা অবস্থায় মারা গেছে। ওদের অনেক ইচ্ছা ছিল বড় ভাই ঢাকা থেকে ঈদের নতুন পোশাক নিয়ে আসছে, এগুলো পরে একসাথে ঈদে আনন্দ করবে। কিন্তু আজ আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।’ এই বলে বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন তিনি।
টিকিকাটার স্থানীয় ইসাহাক খান রিয়ান আজকের পত্রিকাকে জানান, শুভ আমার থেকে কয়েক বছরের ছোট। ওদের তিন ভাইয়ের আচার-ব্যবহার আমাদের মুগ্ধ করত। ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে তিন ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। এতে পুরো মঠবাড়িয়া উপজেলায় শোক বইছে।
মো. মঞ্জুরুল ইসলাম নামে একজন ইউপি সদস্য বলেন, ‘এর আগে আমাদের গ্রামে একসঙ্গে তিনজনের লাশ কেউ দেখিনি। নাসির খান তার পরিবার নিয়ে আমাদের এখানে বাস করত। সে শ্রমিক হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কাজ করে। তিন ভাইয়ের একসঙ্গে মৃত্যুতে এবারের ঈদে আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৬ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে