প্রতিনিধি (থানচি) বান্দরবান

বান্দরবানে রুমায় অপহৃত সেনা প্রকৌশল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এক সার্জেন্টসহ তিনজনকে অপহরণের ঘটনায় দুজনকে ছেড়ে দিয়েছে কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। ওই দুজনের নাম মামুন ও আবদুর রহমান। তবে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন কেএনএফের আস্তানায় বন্দী রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পাড়াবাসী জানান, গত বুধবার দুপুরে রুমা সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ও রেমাক্রীপ্রাংসা ইউনিয়ন সীমানা রেখা লুংথাসি ঝিরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আনোয়ারসহ ৯ জনকে ধরে নিয়ে যায় কেএনএফ সশস্ত্র সদস্যরা। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন সন্ধ্যায় ছয়জনকে ছেড়ে দিলেও অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্টসহ তিনজনকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
তাঁরা হলেন সেনাবাহিনীর ২৬ নম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. আলোয়ার হোসেন (৫৪), তাঁরই গাড়িচালক মো. মামুন (২৯) ও নির্মাণশ্রমিক আবদুর রহমান (২৭)। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির কথা জানা গেলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে এর সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘অপহরণের বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত অপহৃতদের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।’
রুমা জিপ মালিক-চালক সমিতি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, চালক মামুনসহ দুই শ্রমিককে ছেড়ে দিয়েছে। ছাড়া পাওয়া দুজন রুমা সদরে আসছেন। তাঁদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে বলে উল্লেখ করে জানিয়েছেন দুই শ্রমিক এখন পথিমধ্যে আছে।
এদিকে এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে সম্প্রতি রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভ্রমণের ওপর প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এসব এলাকায় সেনাবাহিনীসহ র্যাবের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে।

বান্দরবানে রুমায় অপহৃত সেনা প্রকৌশল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এক সার্জেন্টসহ তিনজনকে অপহরণের ঘটনায় দুজনকে ছেড়ে দিয়েছে কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। ওই দুজনের নাম মামুন ও আবদুর রহমান। তবে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন কেএনএফের আস্তানায় বন্দী রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পাড়াবাসী জানান, গত বুধবার দুপুরে রুমা সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ও রেমাক্রীপ্রাংসা ইউনিয়ন সীমানা রেখা লুংথাসি ঝিরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আনোয়ারসহ ৯ জনকে ধরে নিয়ে যায় কেএনএফ সশস্ত্র সদস্যরা। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন সন্ধ্যায় ছয়জনকে ছেড়ে দিলেও অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্টসহ তিনজনকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
তাঁরা হলেন সেনাবাহিনীর ২৬ নম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. আলোয়ার হোসেন (৫৪), তাঁরই গাড়িচালক মো. মামুন (২৯) ও নির্মাণশ্রমিক আবদুর রহমান (২৭)। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির কথা জানা গেলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে এর সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘অপহরণের বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত অপহৃতদের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।’
রুমা জিপ মালিক-চালক সমিতি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, চালক মামুনসহ দুই শ্রমিককে ছেড়ে দিয়েছে। ছাড়া পাওয়া দুজন রুমা সদরে আসছেন। তাঁদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে বলে উল্লেখ করে জানিয়েছেন দুই শ্রমিক এখন পথিমধ্যে আছে।
এদিকে এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে সম্প্রতি রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভ্রমণের ওপর প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এসব এলাকায় সেনাবাহিনীসহ র্যাবের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে