নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমার অংশে দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গোলাগুলির শব্দে কেঁপে ওঠে জামছড়ি, সাপমারা ঝিরিসহ আশপাশের কয়েকটি পাড়া।
স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেল ৫টা থেকে সোয়া ৬টা পর্যন্ত এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।
ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
জামছড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুচ্ছালাম, ছৈয়দ নূর ও গুরা মিয়া জানান, বিকেলে তাঁরা ভারী অস্ত্রের গুলির প্রচণ্ড শব্দ শুনেছেন। তাঁদের ভাষায়, ‘তুমুল যুদ্ধ বাধে দুই গ্রুপের মধ্যে।’
স্থানীয় কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ও আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
৪৪ নম্বর সীমান্ত পিলারসংলগ্ন এলাকার স্থানীয় শিক্ষক মো. আইয়ুব জানান, মিয়ানমারের ভেতর থেকে তিনি পরপর ১৭ রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছেন। জামছড়ির ছৈয়দ আলম বলেন, ‘প্রায় ৪৫ মিনিটে থেমে থেমে শতাধিক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছি।’
সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের ধারণা, বর্তমানে মিয়ানমারে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে দখল করা একটি চৌকি পুনরুদ্ধারের জন্য আরএসওর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে আরাকান আর্মি। সংঘর্ষের পেছনে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তাঁরা।
এ পরিস্থিতিতে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে দায়িত্বে থাকা ১১ বিজিবি ও ৩৪ বিজিবি তাদের টহল জোরদার করেছে। বিজিবির জওয়ানদের কঠোর অবস্থানে রাখা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম কপিল উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমার অংশে দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গোলাগুলির শব্দে কেঁপে ওঠে জামছড়ি, সাপমারা ঝিরিসহ আশপাশের কয়েকটি পাড়া।
স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেল ৫টা থেকে সোয়া ৬টা পর্যন্ত এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।
ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
জামছড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুচ্ছালাম, ছৈয়দ নূর ও গুরা মিয়া জানান, বিকেলে তাঁরা ভারী অস্ত্রের গুলির প্রচণ্ড শব্দ শুনেছেন। তাঁদের ভাষায়, ‘তুমুল যুদ্ধ বাধে দুই গ্রুপের মধ্যে।’
স্থানীয় কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ও আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
৪৪ নম্বর সীমান্ত পিলারসংলগ্ন এলাকার স্থানীয় শিক্ষক মো. আইয়ুব জানান, মিয়ানমারের ভেতর থেকে তিনি পরপর ১৭ রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছেন। জামছড়ির ছৈয়দ আলম বলেন, ‘প্রায় ৪৫ মিনিটে থেমে থেমে শতাধিক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছি।’
সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের ধারণা, বর্তমানে মিয়ানমারে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে দখল করা একটি চৌকি পুনরুদ্ধারের জন্য আরএসওর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে আরাকান আর্মি। সংঘর্ষের পেছনে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তাঁরা।
এ পরিস্থিতিতে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে দায়িত্বে থাকা ১১ বিজিবি ও ৩৪ বিজিবি তাদের টহল জোরদার করেছে। বিজিবির জওয়ানদের কঠোর অবস্থানে রাখা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম কপিল উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে