বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের রুমা উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে বাসসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ রোববার সকাল থেকে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সশস্ত্র সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, লুপ্রু মারমা বাসের লাইনম্যানের দায়িত্ব পালনের জন্য সকাল ৭টার দিকে সদরঘাট থেকে রুমা বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাঙ্গু কলেজপাড়া এলাকা থেকে পৌঁছালে গতি রোধ করেন কেএনএফের সশস্ত্র সদস্যরা। তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে আধা ঘণ্টা পর ছেড়ে দেন তাঁরা।
স্থানীয়রা আরও জানান, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রুমার বগা লেক সড়কে সাত কিলোমিটার এলাকায় যাত্রী নিয়ে ১১ কিলোমিটার যাওয়ার পথে তিনটি মোটরসাইকেল আটকে চালক ও যাত্রীদের বেধড়ক পেটান কেএনএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এই জায়গায় আটকে রাখা নিরীহ লোকদের এখনো ছাড়া হয়নি। এ সময় নুসিংথোয়াই (২৩) নামে এক যুবকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করেন। এ অবস্থায় রুমা-বান্দরবান সড়কসহ রুমা উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোয় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শৈমং মারমা বলেন, ‘রুমায় এখন রাস্তায় রাস্তায় কুকিচিন আর্মির সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। মানুষকে হুমকি ও মারধর করছেন। গাড়ি না চালানোর জন্য হুমকি দিচ্ছেন। এ কারণে রুমা থেকে বান্দরবানে কোনো ধরনের যানবাহন চলেনি।’
বান্দরবান-রোয়াংছড়ি-রুমা-থানচি মোটরযান পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, ‘কেএনএফের নিষেধের কারণে রুমা ও থানচি স্টেশন থেকে সকাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে আসেনি।’
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান বলেন, ‘রুমা থেকে বান্দরবানে সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বান্দরবানের রুমা উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে বাসসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ রোববার সকাল থেকে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সশস্ত্র সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, লুপ্রু মারমা বাসের লাইনম্যানের দায়িত্ব পালনের জন্য সকাল ৭টার দিকে সদরঘাট থেকে রুমা বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাঙ্গু কলেজপাড়া এলাকা থেকে পৌঁছালে গতি রোধ করেন কেএনএফের সশস্ত্র সদস্যরা। তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে আধা ঘণ্টা পর ছেড়ে দেন তাঁরা।
স্থানীয়রা আরও জানান, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রুমার বগা লেক সড়কে সাত কিলোমিটার এলাকায় যাত্রী নিয়ে ১১ কিলোমিটার যাওয়ার পথে তিনটি মোটরসাইকেল আটকে চালক ও যাত্রীদের বেধড়ক পেটান কেএনএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এই জায়গায় আটকে রাখা নিরীহ লোকদের এখনো ছাড়া হয়নি। এ সময় নুসিংথোয়াই (২৩) নামে এক যুবকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করেন। এ অবস্থায় রুমা-বান্দরবান সড়কসহ রুমা উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোয় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শৈমং মারমা বলেন, ‘রুমায় এখন রাস্তায় রাস্তায় কুকিচিন আর্মির সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। মানুষকে হুমকি ও মারধর করছেন। গাড়ি না চালানোর জন্য হুমকি দিচ্ছেন। এ কারণে রুমা থেকে বান্দরবানে কোনো ধরনের যানবাহন চলেনি।’
বান্দরবান-রোয়াংছড়ি-রুমা-থানচি মোটরযান পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, ‘কেএনএফের নিষেধের কারণে রুমা ও থানচি স্টেশন থেকে সকাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে আসেনি।’
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান বলেন, ‘রুমা থেকে বান্দরবানে সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
৩০ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪২ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে