নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আ. লীগ সভাপতিসহ ৯৮ জনের নামে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে পুলিশের এসআই আলমগীর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এমআই মোহাম্মদ ইউছুপ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আসামিরা কেউ ছাড় পাবেন না।’
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. মো. সিরাজুল হক (৬০), যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন (৪৩), সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়েজুল্লাহ (৪২)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে সংঘবদ্ধ হয়ে গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের অদূরে বিছামারা এলাকার ৩৩ / ১১ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের পাশে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটায় আসামিরা। রাস্তায় বাঁধা সৃষ্টি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ধ্বংসসহ আরও কয়েকটি রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষতি সাধনে চেষ্টা করছিল তারা। এ জন্য তারা দফায় দফায় বৈঠক করেছে বলেও উল্লেখ করা হয় মামলায়।
খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এসআই আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করে বিস্ফোরিত ককটেলের খোসা, লাঠি ও ইটের টুকরো। এ সময় পুলিশ তিন আসামিকে আটক করে। বাকিরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসরুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। তাই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে আর জনসাধারণের নিরাপত্তায় কাজ করছে প্রশাসন। সে জন্য দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নাইক্ষ্যংছড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযানে আওয়ামী লীগের তিন নেতা কর্মীকে মধ্যরাতে আটক করেছে পুলিশ।’
এ দিকে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সহ-সভাপতিসহ অধিকাংশ নেতাকে আসামি করা হয়েছে। এমনকি উপজেলার কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যানকেও আসামি করা হয়েছে। মূলত এটি একটি রাজনৈতিক মামলা। মামলা থেকে জামিনে মুক্ত হতে আইনি লড়াই করবেন বলে জানান তারা।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আ. লীগ সভাপতিসহ ৯৮ জনের নামে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে পুলিশের এসআই আলমগীর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এমআই মোহাম্মদ ইউছুপ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আসামিরা কেউ ছাড় পাবেন না।’
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. মো. সিরাজুল হক (৬০), যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন (৪৩), সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়েজুল্লাহ (৪২)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে সংঘবদ্ধ হয়ে গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের অদূরে বিছামারা এলাকার ৩৩ / ১১ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের পাশে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটায় আসামিরা। রাস্তায় বাঁধা সৃষ্টি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ধ্বংসসহ আরও কয়েকটি রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষতি সাধনে চেষ্টা করছিল তারা। এ জন্য তারা দফায় দফায় বৈঠক করেছে বলেও উল্লেখ করা হয় মামলায়।
খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এসআই আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করে বিস্ফোরিত ককটেলের খোসা, লাঠি ও ইটের টুকরো। এ সময় পুলিশ তিন আসামিকে আটক করে। বাকিরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসরুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। তাই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে আর জনসাধারণের নিরাপত্তায় কাজ করছে প্রশাসন। সে জন্য দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নাইক্ষ্যংছড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযানে আওয়ামী লীগের তিন নেতা কর্মীকে মধ্যরাতে আটক করেছে পুলিশ।’
এ দিকে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সহ-সভাপতিসহ অধিকাংশ নেতাকে আসামি করা হয়েছে। এমনকি উপজেলার কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যানকেও আসামি করা হয়েছে। মূলত এটি একটি রাজনৈতিক মামলা। মামলা থেকে জামিনে মুক্ত হতে আইনি লড়াই করবেন বলে জানান তারা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে