বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানে জিয়া স্মৃতি সংসদের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বান্দরবান পৌর যুবদল নেতা আবুল কালাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হাসান ভূঁইয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাশেদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজু বড়ুয়া, মহিউদ্দিন, আনিসুর রহমান সুজন, শিবু চৌধুরী, জামাল চৌধুরী, বিমল কান্তি দাশ, রুবেল চৌধুরী, মনির চৌধুরী, খলিলুর রহমান সোহাগ, রানা চৌধুরী, নাছির চৌধুরী, নুর মোহাম্মদ কালু ও সোহেল ভান্ডারী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৪ জুলাই রাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে শহরের আর্মিপাড়ায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ে হামলা হয়। এ সময় অফিসের আসবাব, টেলিভিশন, জানালার কাচসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বান্দরবান পার্বত্য জেলার সাতটি উপজেলায় ২০৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মোট নয়টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী দুটি ও বিএনপির পাঁচটি, আর দুটি অন্য মামলা করা হয়।

বান্দরবানে জিয়া স্মৃতি সংসদের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বান্দরবান পৌর যুবদল নেতা আবুল কালাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হাসান ভূঁইয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাশেদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজু বড়ুয়া, মহিউদ্দিন, আনিসুর রহমান সুজন, শিবু চৌধুরী, জামাল চৌধুরী, বিমল কান্তি দাশ, রুবেল চৌধুরী, মনির চৌধুরী, খলিলুর রহমান সোহাগ, রানা চৌধুরী, নাছির চৌধুরী, নুর মোহাম্মদ কালু ও সোহেল ভান্ডারী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৪ জুলাই রাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে শহরের আর্মিপাড়ায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ে হামলা হয়। এ সময় অফিসের আসবাব, টেলিভিশন, জানালার কাচসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বান্দরবান পার্বত্য জেলার সাতটি উপজেলায় ২০৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মোট নয়টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী দুটি ও বিএনপির পাঁচটি, আর দুটি অন্য মামলা করা হয়।

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
১৮ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে