নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের রেংয়েন ম্রোপাড়ায় ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়া, হামলা ও ভাঙচুরের সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে ১ জানুয়ারি। এতে নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর আটটি বাড়ি পুড়ে যায়। তা ছাড়া, লুট করা হয় ঘরের জিনিসপত্র ও গবাদিপশু। এ ঘটনায় ৭ জানুয়ারি মামলা হয়েছে স্থানীয় থানায়। তবে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের কাছে এ অভিযোগ করেছে অগ্নিসংযোগ ও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান গত মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তারা এ অভিযোগ করে। এ সময় সরই ভূমিরক্ষা কমিটির পক্ষে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পাহাড়িদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘পাহাড়ে বসবাসকারী মানুষেরা খুব শান্তিপ্রিয়। তাঁরা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। এই গ্রামে যা হয়েছে, আমি যা দেখেছি, এ ঘটনাগুলো যে বা যারা ঘটিয়েছে, তারা চরম অপরাধ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিষয়ে খবর নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ম্রোপাড়ায় বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতরা কখনো ছাড় পাবে না।’
৫ জানুয়ারি কমিশনের চার সদস্যের একটি তদন্ত দল রেংয়েন ম্রোপাড়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিল। এর আগে গত বছরের ২৬ এপ্রিল সরই এলাকায় ম্রো ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী বসবাস ও চাষাবাদ করে—এমন প্রায় ৪০০ একর ভূমিতে আগুন দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩৫০ একর জুমের জমি পুড়ে যায়। এই ৪০০ একর ভূমি রক্ষার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন রেংয়েন, লাংকম ও জয়চন্দ্র পাড়ার ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা। এই ৪০০ একর জমি নিজেদের ইজারার জায়গা বলে দাবি করে আসছে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
৭ জানুয়ারি রেংয়েনপাড়ার কার্বারি রেংয়েন ম্রো বাদী হয়ে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ১৫০ থেকে ১৭০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
এ মামলায় কেউ গ্রেপ্তার হয়েছে কি না, জানতে চাইলে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, মামলাটির তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের রেংয়েন ম্রোপাড়ায় ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়া, হামলা ও ভাঙচুরের সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে ১ জানুয়ারি। এতে নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর আটটি বাড়ি পুড়ে যায়। তা ছাড়া, লুট করা হয় ঘরের জিনিসপত্র ও গবাদিপশু। এ ঘটনায় ৭ জানুয়ারি মামলা হয়েছে স্থানীয় থানায়। তবে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের কাছে এ অভিযোগ করেছে অগ্নিসংযোগ ও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান গত মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তারা এ অভিযোগ করে। এ সময় সরই ভূমিরক্ষা কমিটির পক্ষে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পাহাড়িদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘পাহাড়ে বসবাসকারী মানুষেরা খুব শান্তিপ্রিয়। তাঁরা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। এই গ্রামে যা হয়েছে, আমি যা দেখেছি, এ ঘটনাগুলো যে বা যারা ঘটিয়েছে, তারা চরম অপরাধ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিষয়ে খবর নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ম্রোপাড়ায় বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতরা কখনো ছাড় পাবে না।’
৫ জানুয়ারি কমিশনের চার সদস্যের একটি তদন্ত দল রেংয়েন ম্রোপাড়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিল। এর আগে গত বছরের ২৬ এপ্রিল সরই এলাকায় ম্রো ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী বসবাস ও চাষাবাদ করে—এমন প্রায় ৪০০ একর ভূমিতে আগুন দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩৫০ একর জুমের জমি পুড়ে যায়। এই ৪০০ একর ভূমি রক্ষার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন রেংয়েন, লাংকম ও জয়চন্দ্র পাড়ার ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা। এই ৪০০ একর জমি নিজেদের ইজারার জায়গা বলে দাবি করে আসছে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
৭ জানুয়ারি রেংয়েনপাড়ার কার্বারি রেংয়েন ম্রো বাদী হয়ে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ১৫০ থেকে ১৭০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
এ মামলায় কেউ গ্রেপ্তার হয়েছে কি না, জানতে চাইলে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, মামলাটির তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে