
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে একটি মাদ্রাসায় টানা দুই বছর দাখিল পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করলেও সেখানে কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৪ সালে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া এবং বর্তমানে নবসৃষ্ট অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগের পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের গণিপুর দাখিল মাদ্রাসা নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর সোনামুখী ইউনিয়নের কোলা জাফরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আসমাউল হোসেন লিটন এ অভিযোগ করেন।
ইউএনও আশিক-উর-রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে তদন্ত কমিটিকে সরেজমিনে তদন্ত করে মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মীর মোহাম্মদ আলী।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালে মাদ্রাসাটিতে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের সময় নিয়োগ বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় এবং পরে ওই কর্মচারীর এমপিওভুক্তির কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। নিয়োগের বৈধতা ও প্রক্রিয়া মূল কাগজপত্রের ভিত্তিতে যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে।
বর্তমানে নবসৃষ্ট অফিস সহায়ক পদটির অনুমোদন, প্রয়োজনীয়তা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আইন ও বিধি যথাযথভাবে মানা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয়ভাবে রয়েছে। বিপুল অর্থের বিনিময়ে আক্কেলপুর পৌরসভার শ্রীকৃষ্টপুর মধ্যপাড়ার বাসিন্দা মো. জিল্লুর রহমানের ছেলে মো. জাকির হোসেনকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগকারী আসমাউল হোসেন লিটন জানান, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসাটির কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি। অথচ একাডেমিক কার্যক্রমে নজর না দিয়ে নতুন করে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের চেষ্টা চলছে। তিনি ২০২৪ সালের নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়াতেও অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মাদ্রাসার সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সরকারি বিধিবিধান মেনেই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সঠিক নয়।’
মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, ‘মাদ্রাসায় নিয়োগ নিয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো আমার জানা মতে সঠিক নয়। কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে বিধি মোতাবেক সব প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
এ বিষয়ে ইউএনও আশিক-উর-রহমান বলেন, ‘মাদ্রাসার নিয়োগসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে।’

গাইবান্ধায় এবার নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে ছাপরাঘরে কিংবা খোলা আকাশের নিচে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও কিছু বিদ্যালয় ঝুঁকিতে রয়েছে।
১৩ মিনিট আগে
বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচারে জালিয়াতির নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় গঠন করা তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মরত প্রায় ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে এসেছে।
৩৩ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধের চারটি পৃথক স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশে ধস দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে বাঁধে নতুন করে ৩৫ মিটার ধস সৃষ্টি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর দিকে একতলা ভবন। পূর্ব পাশে আরেকটি দোতলা ভবন। মাত্র ৫২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের কারণে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি ছোট হয়ে গেছে। গত সোমবার কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
১ ঘণ্টা আগে