
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উত্তরাঞ্চলে ভালো করলেও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গিয়ে ভরাডুবি হয়েছে জামায়াতের। এই অঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের ৫৮ আসনের মধ্যে ৫০ টিতেই জিতেছে বিএনপি। দলটির জোটসঙ্গী গণসংহতি আন্দোলন জিতেছে একটি আসন এবং বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্ররা জিতেছে ৩টি আসন। আর জামায়াত জিতেছে ৩টি এবং তাদের জোটসঙ্গী এনসিপি জিতেছে একটি আসন। ফল বিশ্লেষণে আরও দেখা যাচ্ছে, বিভাগের ৭ জেলায় কোনো আসন পায়নি জামায়াত ও তাদের জোটসঙ্গীরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আবদুল হান্নান (বিএনপি)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল (বিএনপি)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান (বিএনপি)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আবদুল মান্নান (বিএনপি)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি আন্দোলন)
কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি)
কুমিল্লা-২ সেলিম ভূইয়া (বিএনপি)
কুমিল্লা-৩ আসনে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (বিএনপি)
কুমিল্লা-৪ হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি)
কুমিল্লা-৫ জসিম উদ্দিন (বিএনপি)
কুমিল্লা-৬ মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি)
কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন (স্বতন্ত্র)
কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন (বিএনপি)
কুমিল্লা-৯ আবুল কালাম (বিএনপি)
কুমিল্লা-১০ মোবাশ্বের আলম (বিএনপি)
কুমিল্লা-১১ ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (জামায়াত)
চাঁদপুর-১ আ ন ম এহছানুল হক মিলন (বিএনপি)
চাঁদপুর-২ মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি)
চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদ আহমেদ (বিএনপি)
চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান (স্বতন্ত্র)
চাঁদপুর-৫ মো. মমিনুল হক (বিএনপি)
ফেনী–১ রফিকুল আলম মজনু (বিএনপি)
ফেনী–২ অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন (বিএনপি)
ফেনী–৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু (বিএনপি)
নোয়াখালী-১ এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন (বিএনপি)
নোয়াখালী ২ জয়নুল আবদিন ফারুক (বিএনপি)
নোয়াখালী-৩ মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি)
নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান (বিএনপি)
নোয়াখালী-৫ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (বিএনপি)
নোয়াখালী-৬ আব্দুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি)
লক্ষ্মীপুর-১ শাহাদাত হোসেন সেলিম (বিএনপি)
লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া (বিএনপি)
লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি)
লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফ উদ্দিন নিজান (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-১ মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-২ সরওয়ার আলমগীর (বিএনপি), (আপিল বিভাগের আদেশে স্থগিত)
চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-৪ মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (বিএনপি), (আপিল বিভাগের আদেশে স্থগিত)
চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি)
চট্টগ্রাম ১০ সাঈদ আল নোমান (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-১২ মো. এনামুল হক (বিএনপি)
চট্টগ্রাম–১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-১৪ জসিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি)
চট্টগ্রাম-১৫: শাহজাহান চৌধুরী (জামায়ত)
চট্টগ্রাম-১৬: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (জামায়ত)
কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি)
কক্সবাজার-২ আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি)
কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান কাজল (বিএনপি)
কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি)
খাগড়াছড়ি–১ আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (বিএনপি)
রাঙামাটি–১ দীপেন দেওয়ান (বিএনপি)
বান্দরবান–১ সাচিংপ্রু জেরি (বিএনপি)

ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন করায় পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে আওয়ামী লীগ কর্মীর বাড়ি ও স্থানীয় বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
৬ মিনিট আগে
ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খান তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে কম ভোট পেয়ে হেরেছেন। গণঅধিকার পরিষদ থেকে আসা রাশেদ খান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২২৪টি। এই আসনে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু তালিব।
১ ঘণ্টা আগে
গাংনীতে ভোটের পরদিন জামায়াতের তিন কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার উপজেলার জোড়পুকুরিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ রয়েছে, সুজন রিয়াজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এতে রিয়াজের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
১ ঘণ্টা আগে