ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে অপহরণের পর চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কিশোরীকে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে পুলিশ গত সোমবার দিবাগত রাতে পঞ্চগড় জেলার দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। আজ মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—পঞ্চগড় জেলার পোড়ামানিকপীর গ্রামের বাসিন্দা অনজুল হকের ছেলে মো. জুয়েল (২৮) এবং জুয়েলের মা গোলাপি বেগম।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা শনিবার (১১ মে) ঠাকুরগাঁও সদর থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আসামিরা ভুক্তভোগীর আত্মীয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। পরিবার থেকে রাজি না হওয়ায় অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার পথ বেছে নেয়। গত ৮ মে (বুধবার) সকাল ৯টার দিকে সে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যায়। পরীক্ষা শেষে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে কেন্দ্র থেকে বের হলে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা চারজন তার পথরোধ করে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা মেয়েটিকে অপহরণের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা নিয়ে বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন। ১ নম্বর আসামি জুয়েল তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। বাকি তিনজন—সুলতানা বেগম, অনজুল হক ও গোলাপি বেগম—তাকে আশ্বস্ত করে যে তারা অটোরিকশায় পেছনে পেছনে আসছেন। বাধ্য হয়ে তখন কিশোরী মোটরসাইকেলে ওঠে।
কিন্তু জুয়েল তাকে বাড়ির পথে না নিয়ে দ্রুতবেগে পঞ্চগড়ের দিকে রওনা হন। ওই কিশোরী বারবার অনুরোধ করলেও জুয়েল কর্ণপাত করেননি। একপর্যায়ে ভূল্লী থানার ১১ মাইল এলাকায় পৌঁছে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ধাক্কা দিয়ে তাকে রাস্তায় ফেলে দেন জুয়েল। তখন চলন্ত ট্রাকে ধাক্কা লেগে কিশোরীর মাথা, মুখ, হাত-পা ও কোমরে গুরুতর আঘাত পায়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে সে ৮ থেকে ১০ মে পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিল।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

ঠাকুরগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে অপহরণের পর চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কিশোরীকে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে পুলিশ গত সোমবার দিবাগত রাতে পঞ্চগড় জেলার দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। আজ মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—পঞ্চগড় জেলার পোড়ামানিকপীর গ্রামের বাসিন্দা অনজুল হকের ছেলে মো. জুয়েল (২৮) এবং জুয়েলের মা গোলাপি বেগম।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা শনিবার (১১ মে) ঠাকুরগাঁও সদর থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আসামিরা ভুক্তভোগীর আত্মীয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। পরিবার থেকে রাজি না হওয়ায় অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার পথ বেছে নেয়। গত ৮ মে (বুধবার) সকাল ৯টার দিকে সে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যায়। পরীক্ষা শেষে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে কেন্দ্র থেকে বের হলে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা চারজন তার পথরোধ করে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা মেয়েটিকে অপহরণের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা নিয়ে বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন। ১ নম্বর আসামি জুয়েল তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। বাকি তিনজন—সুলতানা বেগম, অনজুল হক ও গোলাপি বেগম—তাকে আশ্বস্ত করে যে তারা অটোরিকশায় পেছনে পেছনে আসছেন। বাধ্য হয়ে তখন কিশোরী মোটরসাইকেলে ওঠে।
কিন্তু জুয়েল তাকে বাড়ির পথে না নিয়ে দ্রুতবেগে পঞ্চগড়ের দিকে রওনা হন। ওই কিশোরী বারবার অনুরোধ করলেও জুয়েল কর্ণপাত করেননি। একপর্যায়ে ভূল্লী থানার ১১ মাইল এলাকায় পৌঁছে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ধাক্কা দিয়ে তাকে রাস্তায় ফেলে দেন জুয়েল। তখন চলন্ত ট্রাকে ধাক্কা লেগে কিশোরীর মাথা, মুখ, হাত-পা ও কোমরে গুরুতর আঘাত পায়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে সে ৮ থেকে ১০ মে পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিল।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে