দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শাবল দিয়ে আঘাত করে ছেলেকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবা শরিফুল ইসলামের (৪০) বিরুদ্ধে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং নিহত নুরুজ্জামান (১৫) তাঁর ছেলে।
আজ রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে মোল্লাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ছেলে নুরুজ্জামনকে সঙ্গে নিয়ে মাটির ঘরে কাঠের দরজা সংস্কারের কাজ করছিলেন বাবা শরিফুল ইসলাম। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শরিফুল ইসলাম কাছে থাকা একটি শাবল দিয়ে নুরুজ্জামানের মাথায় আঘাত করেন। এতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ছেলে। পরে স্থানীরা নুরুজ্জামানকে উদ্ধার করে বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। অভিযুক্ত বাবাকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে