Ajker Patrika

বদলগাছী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন, ওষুধের মজুত না থাকায় হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
বদলগাছী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন, ওষুধের মজুত না থাকায় হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো সাখাওয়াত হোসেন। আজ রোববার দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে তিনি চিকিৎসাসেবা, ওষুধের মজুত, রোগীদের খাবার ও হাসপাতালের পরিবেশ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে পুরনো ভবন ভেঙে নয়তলা নতুন ভবন নির্মাণ এবং হাসপাতালটি ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর থেকেই স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেবার মান উন্নত করতে নিয়মিত বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করা হচ্ছে। প্রতিটি নাগরিকের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার চলতি বছরে আড়াই হাজার নার্স নিয়োগ করবে। পাশাপাশি এ বছর ৪১ হাজার ৩৯০ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাঁরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেবেন। প্রতিটি ইউনিয়নে স্বাস্থ্য হাব তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। চিকিৎসাসেবা নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা জানতে চান। পরে তিনি বলেন, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, তাঁরা ভালো সেবা পাচ্ছেন। তবে হাসপাতালের টয়লেট ও বাথরুম অপরিষ্কার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা
বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

রোগীদের খাবারের মান দেখতে হাসপাতালের রান্নাঘরেও যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখানে রোগীদের জন্য রান্না করা খাবার নিজে পরীক্ষা করেন। তিনি বলেন, রোগীদের কী খাবার দেওয়া হচ্ছে, তা দেখতেই তিনি রান্নাঘরে গিয়ে খাবার পরীক্ষা করেছেন।

হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ‘রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাজিথ্রোমাইসিন ওষুধ এক মাস ২৩ দিন ধরে দেওয়া হচ্ছে না। অথচ হাসপাতালের স্টোরে ওই ওষুধ মজুত রয়েছে। স্টকে ওষুধ থাকার পরও কেন রোগীরা এক মাস ২৩ দিন ওষুধ পেল না, তা খতিয়ে দেখা হবে।’

এ ঘটনায় হাসপাতালের স্টোরকিপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় গিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা সাংবাদিকদের জানানো হবে।

পরিদর্শনের সময় সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. কানিজ ফারহানা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জাকির হোসেন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত