
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অর্ধশতাধিক শ্রমিক। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঠিক কতজন শ্রমিক অসুস্থ হয়েছেন, সে বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য দেয়নি।
শ্রমিকদের দাবি, একটি ফ্লোরে হঠাৎই একে একে শ্রমিকেরা বমি, মাথা ঘোরা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেন। অনেকেই মেঝেতে পড়ে যান। ঘটনার পর কারখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শ্রমিক জেসমিন আক্তার বলেন, কিছুদিন আগে একই ফ্লোরে ছুটি না পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় কাজ করতে গিয়ে লিজা বেগম নামে এক শ্রমিক মারা যান। এবারও ওই ফ্লোরেই একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে এর কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
আরেক শ্রমিক মনিরা বলেন, অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে বমি, মাথা ঘোরা ও দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একটি ফ্লোরের প্রায় সব শ্রমিকই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন সাংবাদিকেরা। সাংবাদিক সবুজ মিয়ার অভিযোগ, কারখানার সামনে ছবি ও ভিডিও ধারণের সময় কারখানা কর্তৃপক্ষ তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
আলহেরা হাসপাতালের পরিচালক ডা. আবুল হোসাইন বলেন, তাঁদের হাসপাতালে অর্ধশতাধিক শ্রমিক ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বেশির ভাগ শ্রমিকের বমি ও মাথা ঘোরার উপসর্গ রয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি জানার পর অসুস্থ শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১ কেজি ২১৫ গ্রাম গাঁজা; ২ হাজার ২৯০ ইয়াবা; দরজা ও জানালায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আকারের ১৫টি পুরোনো অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের টুকরা; একটি চাকু; একটি অ্যান্টিকাটার; পাঁচটি মোবাইল ফোন; একটি মোটরসাইকেল এবং নগদ ৮ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
দিনাজপুরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফ মুনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের কমলগঞ্জ উপজেলায়। বাবার নাম নবী মিয়া। বর্তমানে ছোট স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সঙ্গে নাজিমুদ্দিন রোডের বাসায় থাকতেন। বড় স্ত্রী ডলি বেগম দুই ছেলে, এক মেয়েকে নিয়ে হোসেনি দালান এলাকায় বসবাস করেন।
৪০ মিনিট আগে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতে হাসুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর ঘর থেকে ২০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে পুলিশ।
৪৪ মিনিট আগে