Ajker Patrika

পবিপ্রবিতে বহিরাগতদের হামলা: বিচারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের

পবিপ্রবি সংবাদদাতা
পবিপ্রবিতে বহিরাগতদের হামলা: বিচারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের
বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে আজ মঙ্গলবার পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

যুবদল নেতার নেতৃত্বে বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করে তাঁরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকেরা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান। একই সঙ্গে আগামীকাল বুধবারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গতকাল সোমবার (১১ মে) সকাল ৯টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তাঁরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। কর্মসূচি চলাকালে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এক যুবদল নেতার নেতৃত্বে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পটুয়াখালী জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হাওলাদার প্রশাসনের একটি দল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

এ বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, ‘গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও অপমানজনক একটি ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে আজ বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। হামলার ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবে আমরা সব ধরনের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেছি।’

অধ্যাপক আতিকুর রহমান আরও বলেন, ‘শুধু শিক্ষকেরা নন, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও আমাদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। হামলার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। আগামীকালও একইভাবে কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। হামলার ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি এবং সেটি অনাকাঙ্ক্ষিত। কারা হামলা করেছে, কী উদ্দেশ্যে করেছে, সে বিষয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত