Ajker Patrika

ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য: ক্ষমা চাইলেন সেই জামায়াত নেতা

বরগুনা প্রতিনিধি
ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য: ক্ষমা চাইলেন সেই জামায়াত নেতা
মো. শামীম আহসান। ছবি: সংগৃহীত

বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি ক্ষমা চান।

মো. শামীম আহসান বলেন, ‘আমার বক্তব্যে যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ছাত্র-ছাত্রী ভাই ও বোনেরা কষ্ট পেয়ে থাকেন, এ জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও লজ্জিত।’

ভিডিওবার্তায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘গতকাল কাকচিরার কাটাখালীতে একটি নির্বাচনী পথসভায় যে বক্তব্য নিয়ে আসলে কথা বলা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে আপনাদের বলতে চাচ্ছি যে, ২০২৪ সালের আগে ডাকসু ছিল নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের দখলে। ছাত্রলীগের পলাতক সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, পলাতক সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ২০১৯ সালের ডাকসুকে কুক্ষিগত করেছিল। এই পরিচয়কে ব্যবহার করে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদক, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির আখড়া হিসেবে গড়ে তুলেছিল। তা ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা যেমন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্ককে কেন্দ্র করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিত তারা। এগুলো কারোই অজানা নয়।’

মো. শামীম আহসান বলেন, ‘আমি আমার বক্তব্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সে সকল অপকর্মের কথাই বোঝাতে চেয়েছি। জুলাই বিপ্লবের পর ২০২৪ সালে ডাকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে ও সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে ছাত্রশিবিরের প্যানেল নির্বাচিত হয়। এর পর থেকে ডাকসু চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, সিট-বাণিজ্য ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধ সরব ভূমিকা পালন করে আসছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি বুঝিয়েছি—নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ডাকসুতে যে কালিমা লাগিয়েছিল, ছাত্রশিবির তা মুছে দিতে সক্ষম হয়েছে।’

জামায়াত নেতা শামীম আহসান বলেন, ‘এর পরেও যদি আমার বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার সম্মানিত ভাই ও বোনেরা কষ্ট পেয়ে থাকেন, এ জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও লজ্জিত। আসসালামু আলাইকুম।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত