
রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে সৌদিপ্রবাসী মোকাররম মিয়ার আট টুকরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় এক নারী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ওই নারীর নাম হেলেনা বেগম। তিনি প্রবাসী মোকাররমের ‘প্রেমিকা’ তাসলিমা বেগম ওরফে হাসনার বান্ধবী।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের খাস কামরায় এই জবানবন্দি দেন। এদিন হেলেনা বেগম ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে আদালতে হাজির করে মুগদা থানা-পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক মিঠু হেলেনার জবানবন্দি লিপিবদ্ধের আবেদন করেন। সেই সঙ্গে হেলেনার কিশোরী মেয়েকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন।
আদালত হেলেনার জবানবন্দি গ্রহণ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যদিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামান কিশোরীকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালিকা) পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মারুফুজ্জামান।
নিহত মোকাররম মিয়া (৩৮) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর এলাকার বাসিন্দা। গত রোববার রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয় লোকজন ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সাত টুকরা উদ্ধার করে। আঙুলের ছাপ নিয়ে পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। এরপর রোববার রাতে হেলেনা ও তাঁর মেয়েকে গ্রেপ্তার করে নিহত ব্যক্তির মাথার অংশ উদ্ধার করে তারা।
এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির চাচা রফিকুল ইসলাম সোমবার মুগদা থানায় হত্যা মামলা করেন।
আদালতের সূত্রে জানা গেছে, হেলেনা বেগম জবানবন্দিতে বলেছেন, নিহত মোকাররমের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আরেক প্রবাসীর স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাসলিমা আক্তার হেলেনার বান্ধবী। ১৩ মে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে মোকাররম সরাসরি মুগদার মান্ডায় হেলেনার ভাড়া বাসায় ওঠেন। সেখানে হেলেনা তাঁর ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। তাসলিমাও আগে থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় এসে ওই বাড়িতে ছিলেন। মোকাররম ও তাসলিমার মধ্যে আর্থিক লেনদেন ছিল এবং তাঁদের কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছিল। একপর্যায়ে বিয়ে নিয়ে আলোচনা হলে তাসলিমা রাজি না হওয়ায় মোকাররম তাঁর দেওয়া ৫ লাখ টাকা ফেরত চান এবং ছবি-ভিডিও প্রকাশের হুমকি দেন। মোকাররম হেলেনার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেছেন হেলেনা।
জবানবন্দিতে ওই নারী আরও জানান, তাৎক্ষণিক তাসলিমা ও হেলেনা মিলে মোকাররমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ১৪ মে সকালে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাঁকে অচেতন করার চেষ্টা করা হয়। পরে বালিশচাপা ও হাতুড়ি-বঁটি দিয়ে আঘাত করে তাঁকে হত্যা করেন হেলেনা ও তাসলিমা। এরপর মরদেহ বাথরুমে নিয়ে আট টুকরা করেন। পরে মরদেহের খণ্ডাংশ পলিথিন ও বস্তায় ভরে বাসার আশপাশে ফেলে দেন তাঁরা।

রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে অনেকে গরু নিয়ে এসেছেন হাটে। আগামী রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেনাবেচা শুরু হলেও আগেভাগে গরুর দাম বুঝে নিতে হাটে ঘুরতে এসেছেন ক্রেতারা। তবে এবার পরিবহন ভাড়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন গরু বিক্রেতারা।
১ ঘণ্টা আগে
‘রান্নাঘর থেকে শব্দ শুনছি। মনে করছি, পাশের ফ্ল্যাটের বাচ্চা চিৎকার দেয়। আমার মেয়ে যে চিৎকার দিতেছে, আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। মনে করেছি, ওর সাথে বড় মেয়ে গেছে, আমার মেয়ে চিৎকার দিবো কেমনে?’ কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির মা।
১ ঘণ্টা আগে
একসময় গ্রাম ও শহরে কামারদের ছিল জমজমাট ব্যবসা। দোকানও ছিল অনেক। কিন্তু এই আধুনিক যুগে অনেকটাই বিলুপ্তির মুখে কামার সম্প্রদায়ের মানুষ। কারখানার অত্যাধুনিক মেশিনে তৈরি, চীন থেকে আমদানি, অনলাইন বিক্রি এবং কয়লা, লোহা ও ইস্পাতের দাম বেড়ে যাওয়ায় কামারদের চাহিদা কমে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে হত্যার শিকার শিশুটির (৮) মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এশার নামাজের পর জানাজা শেষে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে