
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমি বিরোধের জেরে ১৭ বছর আগে সংঘটিত তরিকুল হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রায়গঞ্জের পাঙ্গাসী গ্রামের আব্দুল মান্নান ও হীরা মিয়া এবং সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার রফিকুল ইসলাম। এর মধ্যে আব্দুল মজিদ বেশ কয়েক বছর আগে মারা যাওয়ায় তাঁর নাম প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামচুজ্জোহা শাহানশাহ বলেন, হত্যা মামলার ১৪ আসামির মধ্যে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাঁদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
মামলাসূত্রে জানা গেছে, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট রায়গঞ্জের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল মন্নাফ ১৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

দুর্ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাতে জামালপুর শহরের ফৌজদারি এলাকায় রাজীব পরিবহনের গায়েবানা জানাজা ও প্রতীকী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী রাজীব পরিবহনের বাসগুলো অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া চলাচল করে। এ ঘটনার বিচার দাবি করেন তাঁরা।
৫ মিনিট আগে
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে তাঁর দুই হাত প্রসারিত করা ঐতিহাসিক আলোকচিত্র সম্বলিত বিলবোর্ডটি অপসারণের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁর পরিবার
২৫ মিনিট আগে
ভোলার মনপুরায় মো. শরিফ নামে এক ইউপি সদস্যকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর খেয়াঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদীবেষ্টিত লালমনিরহাটের দুর্গম চরাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে বদলে যাচ্ছে চিত্র। একসময় যেসব শিশু ক্ষুধা আর দারিদ্র্যের কারণে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে চাইত না, পুষ্টিকর টিফিন পেয়ে এখন তারাই ছুটছে স্কুলে। বাড়ছে উপস্থিতি, কমছে ঝরে পড়ার প্রবণতা। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ে থাকার শক্তি
১ ঘণ্টা আগে