
কক্সবাজারে ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে আব্দুল মালেক (৩৪) নামের এক সংবাদকর্মী নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার ঝিলংজার বাংলাবাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় অটোরিকশার চালকসহ আরও অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
নিহত আব্দুল মালেক প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা এবং মৃত আলী হোসেনের ছেলে। তিনি কক্সবাজারের স্থানীয় দৈনিক হিমছড়ির সেন্ট মার্টিন প্রতিনিধি ও সি প্রবাল রিসোর্টের মালিক ছিলেন।
নিহত মালেকের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরব গমনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রামুর জোয়ারিয়ানালায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ শেষে আব্দুল মালেক সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে কক্সবাজার শহরে ফিরছিলেন। পথে চট্টগ্রামমুখী একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে আব্দুল মালেক গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমিউদ্দিন বলেন, নিহত মালেকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলা গ্রামের কৃষক মোস্তফা। চলতি বোরো মৌসুমে ধান চাষ করেছেন পাঁচ বিঘা জমিতে। মাসখানেক আগে রোপণ করা এসব চারা লালচে হয়ে যায়। জমিতে সার না দিলে থোড় আসবে না। তাই গত মঙ্গলবার সকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে জমিতে ইউরিয়া, টিএসপি, দস্তাসহ তিন ধরনের সার ছিটাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের মধুপুরে গাছ নিধনের পর আগুন লাগিয়ে ৭৫ একর বনভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা চলছে। প্রভাবশালীরা বন দখলের নেপথ্যে থাকায় ঘটনার দুই সপ্তাহ পরেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বনকর্মীরা এ ব্যাপারে নির্লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হামিদ অ্যাগ্রো’। আর তাতে গ্যাস-সংযোগ দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের অর্থে। এ কাজে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশের নাম ভাঙিয়ে টোকেনের মাধ্যমে মাসিক চাঁদা আদায় করা হচ্ছে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে। চালকদের দাবি, নির্দিষ্ট প্রতীকযুক্ত টোকেন কিনলে মাসজুড়ে আর কোনো ঝামেলা থাকে না। তবে এই টোকেন না থাকলে কাগজপত্র ঠিক থাকলেও মামলা, রিকুইজিশনসহ নানা হয়রানির মুখে পড়তে হয়।
১ ঘণ্টা আগে