নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

রিয়াজ উদ্দিন মারা গেছেন ১২ বছর আগে। তিনি কখনো ব্যাংকেই যাননি অথচ তার নাম-ঠিকানায় কৃষিব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে ব্যাংক থেকে অনুমোদন করা কৃষি ঋণ পরিশোধের জন্য সম্প্রতি ওই ব্যক্তির ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা এ নোটিশের চিঠি পেয়ে হতভম্ব হয়ে পড়েন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণাবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের নাসিরনগর সদর শাখায় এমন ঘটনা ঘটেছে।
২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি রিয়াজ উদ্দিনের নামে ১ লাখ টাকার ঋণ এখন সুদে-আসলে হয়েছে ১ লাখ ত্রিশ হাজার টাকা। সেই টাকা পরিশোধের জন্য গত ৩ জুলাই নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বাক্ষরিত চিঠি রিয়াজ উদ্দিনের পরিবারের হাতে আসে।
রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে মাহমুদ বেগম বলেন, `আমার বাবা ২০১৪ সালের ১৫ এপ্রিল মারা গেছেন। আমার জানা মতে তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় কোন ঋণ নেননি। এখন ওরা চিঠি নিয়ে আসছে, আমার বাবা কি কবর থেকে এসে ঋণ নিয়েছে? আমি চিঠি রাখতে চাইনি, জোর করে দিয়ে গেছে।’
প্রতিবেশি সাজ্জাদ হোসেন জানান, উনি তো ১২ বছর আগে মারা গেছেন। তাহলে উনি ২০২৪ সালে ঋণ নিল কিভাবে?
সাধারণত বিধি অনুযায়ী কোনো ঋণ অনুমোদনের আগে ব্যাংকের একজন মাঠ কর্মকর্তা ঋণগ্রহীতা ব্যক্তি ও তাঁর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনি শাখা ব্যবস্থাপকের কাছে ঋণের ব্যাপারে সুপারিশ করে থাকেন। ব্যবস্থাপক আবার যাচাই-বাছাই করে ঋণগ্রহীতার উপস্থিতিতে স্বাক্ষর বা টিপসই নিয়ে ঋণ অনুমোদন করেন।
একাধিকবার ফোন দিয়ে নাসিরনগর কৃষি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কথা হয় ব্যাংকের নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের ঋণের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম সাথে। তিনি বলেন, `এখন তো ব্যাংক বন্ধ। আগামী সোমবার রিয়াজ উদ্দিনের মেয়েকে ব্যাংকে আসতে বলেন।’
নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিনা নাসরিন বলেন, `এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আশা করি, কোন নিরপরাধ মানুষ হয়রানি হবে না।’

রিয়াজ উদ্দিন মারা গেছেন ১২ বছর আগে। তিনি কখনো ব্যাংকেই যাননি অথচ তার নাম-ঠিকানায় কৃষিব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে ব্যাংক থেকে অনুমোদন করা কৃষি ঋণ পরিশোধের জন্য সম্প্রতি ওই ব্যক্তির ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা এ নোটিশের চিঠি পেয়ে হতভম্ব হয়ে পড়েন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণাবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের নাসিরনগর সদর শাখায় এমন ঘটনা ঘটেছে।
২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি রিয়াজ উদ্দিনের নামে ১ লাখ টাকার ঋণ এখন সুদে-আসলে হয়েছে ১ লাখ ত্রিশ হাজার টাকা। সেই টাকা পরিশোধের জন্য গত ৩ জুলাই নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বাক্ষরিত চিঠি রিয়াজ উদ্দিনের পরিবারের হাতে আসে।
রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে মাহমুদ বেগম বলেন, `আমার বাবা ২০১৪ সালের ১৫ এপ্রিল মারা গেছেন। আমার জানা মতে তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় কোন ঋণ নেননি। এখন ওরা চিঠি নিয়ে আসছে, আমার বাবা কি কবর থেকে এসে ঋণ নিয়েছে? আমি চিঠি রাখতে চাইনি, জোর করে দিয়ে গেছে।’
প্রতিবেশি সাজ্জাদ হোসেন জানান, উনি তো ১২ বছর আগে মারা গেছেন। তাহলে উনি ২০২৪ সালে ঋণ নিল কিভাবে?
সাধারণত বিধি অনুযায়ী কোনো ঋণ অনুমোদনের আগে ব্যাংকের একজন মাঠ কর্মকর্তা ঋণগ্রহীতা ব্যক্তি ও তাঁর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনি শাখা ব্যবস্থাপকের কাছে ঋণের ব্যাপারে সুপারিশ করে থাকেন। ব্যবস্থাপক আবার যাচাই-বাছাই করে ঋণগ্রহীতার উপস্থিতিতে স্বাক্ষর বা টিপসই নিয়ে ঋণ অনুমোদন করেন।
একাধিকবার ফোন দিয়ে নাসিরনগর কৃষি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কথা হয় ব্যাংকের নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের ঋণের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম সাথে। তিনি বলেন, `এখন তো ব্যাংক বন্ধ। আগামী সোমবার রিয়াজ উদ্দিনের মেয়েকে ব্যাংকে আসতে বলেন।’
নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিনা নাসরিন বলেন, `এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আশা করি, কোন নিরপরাধ মানুষ হয়রানি হবে না।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪২ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে