
অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় মনু নদের বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে টেংরা ও কামারচাক ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মনু নদের পানি বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভাঙন এলাকা দিয়ে নতুন করে লোকালয়ে পানি ঢুকছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর এলাকায় মনু নদের বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। পরে রাতে আকুয়া এলাকার প্রতিরক্ষা রিং বাঁধও ভেঙে যায়। এতে আকুয়া, হরিপাশা, উজিরপুর, সৈয়দনগর, আদিনাবাদসহ অন্তত ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়।
বন্যার পানিতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তারাপাশা-টেংরা সড়ক এবং তারাপাশা বাজারের একাংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে মৌলভীবাজারে মনু নদের পানি বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও ধলাই নদের পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, মনু নদের পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে একটি স্থানে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ মেরামতে জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদের প্রবল স্রোতে নিখোঁজ হওয়া কৃষক সাইফুল ইসলামের (৫৫) মরদেহ তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আজ শুক্রবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১০ মিনিট আগে
যান্ত্রিক কোলাহল নেই, নেই ব্যস্ততার ছুটে চলা। চারদিকে সবুজ ফসলের মাঠ আর নীরব প্রকৃতির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি গ্রাম। নাম রাজারামকুড়া। শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার এই গ্রামে বর্তমানে বসবাস করেন মাত্র ১২ জন মানুষ। শিশু থেকে বৃদ্ধ—দুটি পরিবারের এই এক ডজন বাসিন্দাকে নিয়ে গড়ে ওঠা গ্রামটিকে জেলার সব
১১ মিনিট আগে
উপজেলায় এখন আউশ ধান কাটার মৌসুম চলছে। অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতে এ বছর আউশ ধানের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখেছিলেন চাষিরা। কিন্তু জমিগুলোতে দিনভর ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই, বাবুইসহ নানা জাতের পাখি এসে বসছে, পাখির দল ধান কিছুটা খেয়ে যাচ্ছে, ধানগাছ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্তও করছে। বাধ্য হয়ে অনেকে কাঁচা ধান কেটে
১৮ মিনিট আগে
নাটোরের গুরুদাসপুরে এ বছর পাটের উৎপাদন বেড়েছে, কিন্তু বাজারদর কমে যাওয়ায় হতাশ চাষিরা। চাঁচকৈড় হাটে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা মৌসুমের শুরুর প্রায় ৫ হাজার টাকা থেকে কম। ব্যয় মিটিয়ে লাভ নামমাত্র বলছেন কৃষকেরা।
১৯ মিনিট আগে