Ajker Patrika

নবাবগঞ্জে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২১ জুলাই ২০২৬, ১৬: ৪৫
নবাবগঞ্জে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি

ঢাকার নবাবগঞ্জে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সুজন, জুলহাস ও মোহাম্মদ।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী বা তার পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম জর্জ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামিদের মধ্যে জুলহাস পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাকি দুজন সুজন ও মোহাম্মদ জামিনে ছিলেন। তাঁরা আদালতে হাজির হন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০২ সালে ২২ মার্চ রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগীর ৮ বছর বয়সী ফুপাতো বোন টয়লেটে যেতে চায়। বাড়ির পেছনের টয়লেটে নিয়ে যান ভুক্তভোগী তরুণী। ফুপাতো বোনকে টয়লেটে বসিয়ে বাড়ির উত্তর পশ্চিম কোণে পৌঁছানো মাত্র আসামি সুজন পেছন দিক থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে মুখ চেপে বাড়ির পেছনে উত্তর দিকে নিয়ে যান। সেখানে আসামি জুলহাস ও মোহাম্মদ আগে থেকে অবস্থান করছিলেন। আসামিরা ভুক্তভোগীকে জোর করে বোরো ধান খেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই তরুণী বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ১৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এসএম মিরাজ আল মাহমুদ।

ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধর অভিযোগ গঠন করেন। বিচার চলাকালে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত