Ajker Patrika

ঢাকার দুই আসন: কেন্দ্রে কর্মকর্তা ও এজেন্টরা পরেননি পরিচয়পত্র

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১: ১০
ঢাকার দুই আসন: কেন্দ্রে কর্মকর্তা ও এজেন্টরা পরেননি পরিচয়পত্র
ঢাকার অনেক কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টদের নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র দৃশ্যমান থাকার কথা থাকলেও অনেকেই তা পালন করেননি। ছবিটি ঢাকার একটি কেন্দ্রের। ছবি: আজকের পত্রিকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে চলছে ভোটগ্রহণ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টদের নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র দৃশ্যমান থাকার কথা। গলায় ফিতা দিয়ে ঝুলিয়ে বা বুকে পিন দিয়ে লাগিয়ে রাখার কথা। তবে, রাজধানীর একাধিক কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে তারা পরিচয়পত্র প্রদর্শন করছেন না।

সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর দুটি সংসদীয় আসনের (ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১০) ১০টি কেন্দ্র ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডি ইউসুফ হাইস্কুলের ৬টি কেন্দ্র, মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের তিনটি কেন্দ্র এবং ধানমন্ডির ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির একটি কেন্দ্র ঘুরে বিষয়টি দেখা যায়।

ঢাকা-১৩ সংসদীয় আসনে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের ১০৮ নম্বর কেন্দ্রের তিনটি বুথ ঘুরে প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট, পোলিং অফিসার এবং সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারদের পরিচয়পত্র প্রদর্শিত দেখা যায়নি। তাদের জিজ্ঞেস করলে তাঁরা পকেট বা ব্যাগ থেকে বের করে এ প্রতিবেদককে দেখান।

বিষয়টি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবদুল্লাহ আল মাহমুদের নজরে আনলে তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, তিনিও পরিচয়পত্র পরিধান করতে পারেননি। গতকাল নির্বাচন কমিশন থেকে পরিচয়পত্র পেলেও পিন বা ফিতা পাননি। এ সময় তিনি নিজের পরিচয়পত্র দেখালেও তাতে তাঁর ছবিও লাগানো ছিল না। বেশির ভাগ কর্মকর্তা ও এজেন্টদের পরিচয়পত্রেও ছবি লাগানো নেই।

একই চিত্র দেখা গেছে পশ্চিম ধানমন্ডি ইউসুফ হাইস্কুলে। ধানমন্ডির ১৫ /এ রোডের আরেক ভোটকেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কেন্দ্রে (কেন্দ্র নম্বর ৪৬), সংসদীয় আসন ঢাকা-১০। এই কেন্দ্রে ৫টি বুথ রয়েছে। ২১১ নম্বর বুথের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের পরিচয়পত্র পকেট বা ব্যাগে পাওয়া যায়। বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সময়, সুযোগ এবং ফিতা বা পিন না পাওয়ার কথা জানান।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবুল হাসানও পরিচয়পত্র পকেট থেকে বের করে দেখান। তাঁর পরিচয়পত্রে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে স্বাক্ষর পাওয়া গেলেও প্রিসাইডিং অফিসারের নাম, পরিচয় ও স্বাক্ষরের স্থান খালি রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমাদের কেউ ফিতা বা পিন পায়নি। কেন্দ্র একবার প্রবেশের পর বাইরে থেকে তা আনার সুযোগও পাওয়া যায়নি। আমি নাম-পরিচয় এখনই লিখব।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, ফাঁকা পরিচয়পত্র দিয়ে তা ফটোকপি করে নিতেও বলা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত