চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) সভাপতি ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার গুমানমর্দন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রাত ১২টার দিকে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসে করে ঘটনাস্থলে আসে। তারা আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাড়িতে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ঘটনার সময় আনিসুল ইসলাম কিংবা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য বাড়িতে ছিলেন না।
হামলাকারীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোঁটা ছিল এবং অধিকাংশের মুখে মাস্ক পরা ছিল। তারা ঘরের আসবাব তছনছ করে একপর্যায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাড়ির সামনে থাকা একটি প্রাইভেট কার পুড়ে যায়। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ চলছে। হামলার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা না গেলেও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের যোগসাজশে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে নকল মার্কশিট ও সনদ তৈরির অর্ডার সংগ্রহ করতেন। পরে অভিনব কৌশলে এসব নকল মার্কশিট ও সনদ তৈরি করে সরবরাহ করতেন।
২৩ মিনিট আগে
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঝড়ের তীব্রতা বাড়লে মকলেছুর রহমান বাড়ির টিনের চাল সামাল দিতে সেখানে উঠেছিলেন। এ সময় প্রচণ্ড বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৩৮ মিনিট আগে
ডিজেল-সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বোরো ধান উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়া এবং খোলাবাজারে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে। এতে আর্থিক চাপের পাশাপাশি ফলন নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৪২ মিনিট আগে
মধুপুর ইউনিয়নের রাজরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সামছুল হক বলেন, ‘আগে এই অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ভাড়া লাগত ৭৫০ টাকা। এখন এটি নষ্ট থাকায় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেতে হয়। সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আবার ভাড়াও দিতে হয় দ্বিগুণ।’
২ ঘণ্টা আগে