
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের এক চূড়ান্ত ও অত্যন্ত সংবেদনশীল মুহূর্তে ওয়াশিংটনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের গুঞ্জন গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে হোয়াইট হাউস অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার (মার্কিন সময়) ডেডলাইন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এই গুঞ্জন বিশ্বজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
বিতর্কের সূত্রপাত হয় গতকাল সোমবার হাঙ্গেরিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমাদের হাতে এমন কিছু অস্ত্র রয়েছে, যা আমরা এখনো ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু ইরান যদি তাদের পথ পরিবর্তন না করে, তবে প্রেসিডেন্ট সেগুলো ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।’ এর পরপরই পারমাণবিক বোমা হামলার গুঞ্জন ডালপালা মেলতে শুরু করে।
একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছিলেন, ‘আজ রাতে একটি আস্ত সভ্যতা মারা যাবে।’ এই দুটি বিষয়কে এক সুতায় গেঁথে ডেমোক্র্যাট শিবির ও নেটিজেনদের একাংশ দাবি করতে শুরু করে যে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই অভিযোগের জবাবে হোয়াইট হাউসের ‘র্যাপিড রেসপন্স’ বিভাগ সরাসরি এক্সে ডেমোক্র্যাটদের এক হাত নিয়েছে। তারা লিখেছে, ‘ভাইস প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। তোমরা আসলে একেকজন আস্ত গাধা। হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করেছে, সামরিক সরঞ্জামের অর্থ শুধু পারমাণবিক অস্ত্র নয়, বরং অন্যান্য বিধ্বংসী কৌশলগত অস্ত্রও হতে পারে।’
মার্কো রুবিওর রহস্যময় ইঙ্গিত
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক সাক্ষাৎকারে এক রহস্যময় ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইরান আলোচনার টেবিলে ফিরবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও সরাসরি কিছু না বললেও যোগ করেন, আজ দিনের শেষভাগে এই বিষয়ে আরও খবর আসছে। তবে ট্রাম্পের ‘সভ্যতা ধ্বংসের’ হুমকি বা সম্ভাব্য হামলা যুদ্ধাপরাধের আওতায় পড়বে কি না, এমন প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান।
ট্রাম্পের আলটিমেটাম অনুযায়ী, চুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোতে বড় ধরনের হামলা শুরু হতে পারে। পারমাণবিক গুঞ্জন নিয়ে হোয়াইট হাউস সাফাই দিলেও রুবিওর ‘নতুন খবর’ আসার ইঙ্গিত কূটনীতির আকাশে নতুন কোনো মোড়, নাকি বড় কোনো সামরিক অভিযানের সংকেত, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা চলছে। আজকের এই রাত কেবল ইরানের জন্য নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বরাজনীতির জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর জন্য রাখা অস্ত্রের একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলার পর বিস্ফোরণে ৩৭ জন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ৪০০ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিয়েভের উপকণ্ঠে একটি আবাসিক এলাকার কাছে ওই অস্ত্রের গুদামটি ছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৯ মিনিট আগে
ইউক্রেন দাবি করেছে, রাজধানী কিয়েভ ও উত্তরাঞ্চলের চেরনিহিভের দিকে নতুন স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। একই সময়ে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ড্রোন হামলাও বাড়িয়েছে মস্কো। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ডেপুটি প্রধান পাবলো পালিসা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ক্রেমলিনের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে...
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় শুরু হওয়া যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কোনো ছবি বা ভিডিও এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তিনি আদৌ সুস্থ আছেন কি না, নাকি নিরাপত্তার কারণে আড়ালে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন—এ প্রশ্ন এখন ইরানের রাজনীতি ও জনমনে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে...
১১ ঘণ্টা আগে
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত কয়েক দিনের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে কয়েক শ মানুষের মৃত্যু এবং হাজারের বেশি মানুষের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে পাঁচ মাস আগের দুটি গবেষণা প্রতিবেদন। কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তর্জাতিক পর্বত গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমে
১১ ঘণ্টা আগে