হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পিয়াজচর গ্রামের পিয়াজচর জামে মসজিদে দুই পক্ষের বিবাদে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মসজিদের সামনে মানববন্ধন করে পিয়াজচর গ্রামবাসী। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামবাসী মসজিদ কমিটির সভাপতি আয়নাল কাজী ও সাধারণ সম্পাদক জুলহাজ বিশ্বাসের কাছে আয় ব্যয়ের হিসাব চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার নেতৃত্বে মসজিদে তালা দেয়।
মানববন্ধনে মুসল্লিসহ এলাকাবাসীরা বলেন, প্রায় ৩৫ বছর আগে পিয়াজচর গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের দান করা জমিতে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আয়নাল হক গত ১২ বছরে মসজিদের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব দেয়নি ৷ সম্প্রতি এলাকাবাসীসহ মসজিদের দাতা সদস্য নুর আলম সিদ্দিকি গণস্বাক্ষর সংবলিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও হরিরামপুর থানায় অভিযোগ দিলে ক্ষিপ্ত হয় আয়নাল কাজী।
তাঁরা আরও বলেন, এ ঘটনায় গত ১ অক্টোবর মসজিদ কমিটির সভাপতি আয়নাল কাজী, মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য কাঞ্চন বিশ্বাস, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুলহাস বিশ্বাস (কাঞ্চন বিশ্বাসের ছেলে) ও কোষাধ্যক্ষ সামসুল দেওয়ান মসজিদে তালা দেন। এরপর থেকেই মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারছেন না মুসল্লিরা। দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামবাসীর দুই গ্রুপের মধ্য বিবাদ চলছে। হয়েছে পাল্টাপাল্টি একাধিক মামলাও। তবে গ্রামবাসীর অভিযোগ মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য কাঞ্চন বিশ্বাস একাধিক ব্যক্তির নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিও করছেন।
মসজিদের দাতা সদস্য নুর আলম সিদ্দিকি বলেন, ‘মসজিদের ১২ বছরের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব নাই। হিসাব চাইলে সভাপতি আয়নাল হক বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেন। এ বিষয়ে অনেকবার বিশৃঙ্খলার তৈরি হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর আমি ইউএনও ও থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেই। এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে মসজিদে তালা দিয়েছেন। আমাদের ১২ জনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অতিসত্বর মসজিদের তালা খুলে মুসল্লিদের নামাজের ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
পিয়াজচর গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, ‘১১ দিন ধরে মসজিদে তালা ঝুলছে। আমরা মুসল্লিরা নামাজ পড়তে পারছি না, মসজিদে আজান হচ্ছে না। মসজিদের হিসাব চাওয়ায় মুসল্লিদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তারা মসজিদের মাইক খুলে নিতে আসছিল। এলাকার মুসল্লিরা বাধা দেওয়ায় নিতে পারে নাই। দ্রুত মসজিদের তালা খুলে দেওয়ায় দাবি জানাই। যাতে এলাকার মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে পারে।’
নওয়াব আলী বলেন, ‘গত শুক্রবার অন্য এলাকা থেকে ইমাম এনে মসজিদের ছাদে আমরা জুম্মার নামাজ আদায় করেছি। ওয়াক্তের নামাজ আমাদের বাড়িতেই পড়তে হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, দ্রুত যেন আমাদের মসজিদের তালা খুলে দেওয়া হয়। আমরা যেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে পারি। আর এর সঙ্গে জড়িত সবার বিচার চাই।’
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাহাব আলী বলেন, ‘গত ১২ বছরে মসজিদের কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাব দেয়নি সভাপতি আয়নাল কাজী। হিসাব চাওয়ায় তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে এবং মসজিদে তালা দিয়েছে। এদের কঠিন শাস্তির দাবি জানাই।’
সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবুল বাশার সবুজ বলেন, আমি একজন মুসলমান হিসেবে এই কাজে যারা জড়িত তাদের ধিক্কার জানাই। মসজিদের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়ায় মসজিদে তালা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় যাদের নাম এসেছে, তাদের দ্বারা এলাকাবাসী অনেক নির্যাতিত। আমি প্রশাসনের কাছে দ্রুত মসজিদের তালা খুলে দেওয়ার দাবি জানাই।
মসজিদের সভাপতি আয়নাল হক বলেন, ‘আমি সাভার থাকি। চাবি আমার বোন জামাই লোকমানের কাছে আছে। ১২ বছর ধরে হিসাব দেই না এ কথা মিথ্যা ও বানোয়াট।’
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাঞ্চন বিশ্বাস অসুস্থ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। জুলহাস বিশ্বাস ও সামসুল দেওয়ানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও রিসিভ করেননি।
হরিরামপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। আমি এবং ইউএনও যত দ্রুত সম্ভব এ ঘটনার সমাধান করব।’
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহরিয়ার রহমান বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তালা দেওয়া খুবই ন্যক্কারজনক ঘটনা। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যানকে বলেছি দুই পক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করতে। ইউপি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষই কথা বলতে আগ্রহী। আজকে তাঁরা আসবেন। যদি এতে কোনো সমাধান না আসে তাহলে আমরা কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেব।’

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পিয়াজচর গ্রামের পিয়াজচর জামে মসজিদে দুই পক্ষের বিবাদে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মসজিদের সামনে মানববন্ধন করে পিয়াজচর গ্রামবাসী। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামবাসী মসজিদ কমিটির সভাপতি আয়নাল কাজী ও সাধারণ সম্পাদক জুলহাজ বিশ্বাসের কাছে আয় ব্যয়ের হিসাব চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার নেতৃত্বে মসজিদে তালা দেয়।
মানববন্ধনে মুসল্লিসহ এলাকাবাসীরা বলেন, প্রায় ৩৫ বছর আগে পিয়াজচর গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের দান করা জমিতে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আয়নাল হক গত ১২ বছরে মসজিদের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব দেয়নি ৷ সম্প্রতি এলাকাবাসীসহ মসজিদের দাতা সদস্য নুর আলম সিদ্দিকি গণস্বাক্ষর সংবলিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও হরিরামপুর থানায় অভিযোগ দিলে ক্ষিপ্ত হয় আয়নাল কাজী।
তাঁরা আরও বলেন, এ ঘটনায় গত ১ অক্টোবর মসজিদ কমিটির সভাপতি আয়নাল কাজী, মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য কাঞ্চন বিশ্বাস, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুলহাস বিশ্বাস (কাঞ্চন বিশ্বাসের ছেলে) ও কোষাধ্যক্ষ সামসুল দেওয়ান মসজিদে তালা দেন। এরপর থেকেই মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারছেন না মুসল্লিরা। দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামবাসীর দুই গ্রুপের মধ্য বিবাদ চলছে। হয়েছে পাল্টাপাল্টি একাধিক মামলাও। তবে গ্রামবাসীর অভিযোগ মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য কাঞ্চন বিশ্বাস একাধিক ব্যক্তির নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিও করছেন।
মসজিদের দাতা সদস্য নুর আলম সিদ্দিকি বলেন, ‘মসজিদের ১২ বছরের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব নাই। হিসাব চাইলে সভাপতি আয়নাল হক বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেন। এ বিষয়ে অনেকবার বিশৃঙ্খলার তৈরি হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর আমি ইউএনও ও থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেই। এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে মসজিদে তালা দিয়েছেন। আমাদের ১২ জনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অতিসত্বর মসজিদের তালা খুলে মুসল্লিদের নামাজের ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
পিয়াজচর গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, ‘১১ দিন ধরে মসজিদে তালা ঝুলছে। আমরা মুসল্লিরা নামাজ পড়তে পারছি না, মসজিদে আজান হচ্ছে না। মসজিদের হিসাব চাওয়ায় মুসল্লিদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তারা মসজিদের মাইক খুলে নিতে আসছিল। এলাকার মুসল্লিরা বাধা দেওয়ায় নিতে পারে নাই। দ্রুত মসজিদের তালা খুলে দেওয়ায় দাবি জানাই। যাতে এলাকার মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে পারে।’
নওয়াব আলী বলেন, ‘গত শুক্রবার অন্য এলাকা থেকে ইমাম এনে মসজিদের ছাদে আমরা জুম্মার নামাজ আদায় করেছি। ওয়াক্তের নামাজ আমাদের বাড়িতেই পড়তে হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, দ্রুত যেন আমাদের মসজিদের তালা খুলে দেওয়া হয়। আমরা যেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে পারি। আর এর সঙ্গে জড়িত সবার বিচার চাই।’
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাহাব আলী বলেন, ‘গত ১২ বছরে মসজিদের কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাব দেয়নি সভাপতি আয়নাল কাজী। হিসাব চাওয়ায় তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে এবং মসজিদে তালা দিয়েছে। এদের কঠিন শাস্তির দাবি জানাই।’
সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবুল বাশার সবুজ বলেন, আমি একজন মুসলমান হিসেবে এই কাজে যারা জড়িত তাদের ধিক্কার জানাই। মসজিদের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়ায় মসজিদে তালা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় যাদের নাম এসেছে, তাদের দ্বারা এলাকাবাসী অনেক নির্যাতিত। আমি প্রশাসনের কাছে দ্রুত মসজিদের তালা খুলে দেওয়ার দাবি জানাই।
মসজিদের সভাপতি আয়নাল হক বলেন, ‘আমি সাভার থাকি। চাবি আমার বোন জামাই লোকমানের কাছে আছে। ১২ বছর ধরে হিসাব দেই না এ কথা মিথ্যা ও বানোয়াট।’
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাঞ্চন বিশ্বাস অসুস্থ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। জুলহাস বিশ্বাস ও সামসুল দেওয়ানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও রিসিভ করেননি।
হরিরামপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। আমি এবং ইউএনও যত দ্রুত সম্ভব এ ঘটনার সমাধান করব।’
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহরিয়ার রহমান বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তালা দেওয়া খুবই ন্যক্কারজনক ঘটনা। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যানকে বলেছি দুই পক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করতে। ইউপি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষই কথা বলতে আগ্রহী। আজকে তাঁরা আসবেন। যদি এতে কোনো সমাধান না আসে তাহলে আমরা কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে