
দেড় যুগের বেশি সময় পর কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে নিজেদের এই রাজনৈতিক দুর্গ পুনরুদ্ধার করেছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়া-১ আসনের মোট ১৩৫টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ২ জন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বিএনপি, জামায়াতসহ মোট আটজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা বেলাল উদ্দীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ ভোট। প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন রেজা আহমেদ।
এই আসনে বিএনপির শক্ত অবস্থানের ইতিহাস রয়েছে। ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আহসানুল হক মোল্লা প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনেও তিনি জয়লাভ করে টানা তিনবার আসনটি ধরে রাখেন। ২০০৪ সালে তাঁর মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তাঁর ছেলে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর আওয়ামী লীগের শাসনামলের দীর্ঘ সময়ে আসনটি বিএনপির হাতছাড়া ছিল।
ভোট গ্রহণ চলাকালে সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী-পুরুষ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তবে বিকেলের দিকে কিছুটা কমে আসে ভোটার উপস্থিতি। সার্বিকভাবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
জয়ের প্রতিক্রিয়ায় রেজা আহমেদ বলেন, ‘আমি শুধু বিএনপির এমপি নই, আমি সবার এমপি। এ বিজয় দৌলতপুরের মানুষের বিজয়।’ তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্বাচনের পর কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলায় না জড়ানোর নির্দেশ দেন।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেল জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী ৯১ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।
২ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চারটি আসনেই গণভোটে নিরঙ্কুশভাবে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে। আসনগুলোতে ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। এর বিপরীতে ‘না’ ভোট বেছে নিয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৫৭ জন।
৭ মিনিট আগে
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে পাঁচজনই তাঁদের জামানতের টাকা হারিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার।
৩৫ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জাতীয় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি জয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
১ ঘণ্টা আগে