
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের জন্য দাওয়াত দিয়ে এনে দুই নৃত্যশিল্পীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শান্ত বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সরাইল থানা-পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় তিতাস নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীরা পেশায় ‘ড্যান্সার’। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের জন্য ৯ হাজার টাকায় চুক্তি অনুযায়ী ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে ভুক্তভোগীরা সরাইলে আসেন। এ সময় রাকিব নামের এক ব্যক্তি তাঁদের রিসিভ করে সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় নিয়ে আসেন।
সেখান থেকে রাকিবসহ আরও পাঁচজন তাঁদের একটি নৌকায় করে নিয়ে যেতে থাকেন। কিছু সময় চলার পর দুজনকে ধর্ষণ করা হয়। এতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাঁদের সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সদস্যকে হত্যার ভয় দেখানো হয়। রাতে তাঁদের নাসিরনগর এলাকায় নামিয়ে দিয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
পরে ভুক্তভোগীদের পক্ষে কুমিল্লার চান্দিনা এলাকার এক নারী গতকাল শুক্রবার দুপুরে সরাইল থানায় এ বিষয়ে মামলা করেন। রাতে সরাইলের বোড্ডা এলাকা থেকে শান্ত নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী নারীর মামলার পর রাতেই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় বিএসএফের উদ্ধার করা ১০ বাংলাদেশিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
৩৫ মিনিট আগে
দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯টি নৌকার অংশগ্রহণে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে ক্ষমতাপুর গ্রামের শাপলা বয়েজ ক্লাবের নৌকা। নদীর দুই তীরে বিপুল দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।
৪৪ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নারায়ণগঞ্জে কর্মস্থলে ফেরার পথে বাসে উঠে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের কবলে পড়েন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ইউনিট ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম। বাসের অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তায় নামিয়ে দেওয়ার পর জাহাঙ্গীরকে বাসের ভেতর জিম্মি করে মারধর করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আরও কয়েকটি বিদ্যালয় রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। ভবন হারিয়ে কোথাও খোলা আকাশের নিচে, আবার কোথাও ছাপড়ার নিচে চলছে শিশুদের পাঠদান। এতে
১ ঘণ্টা আগে