আবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়াও হয়েছে। এদিকে জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ান দাবি করে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের দাবি, জায়গাটি আরএস (রিভিশনাল সার্ভে) খতিয়ানে বন্দরের মালিকানা থাকলেও বিএস (বাংলাদেশ সার্ভে) খতিয়ানে তা জেলা প্রশাসনের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। জমিটি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বন্দরের একটি মামলা চলছে।
এদিকে গত ৭ নভেম্বর অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ ওই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে চট্টগ্রাম বন্দরকে আইনি নোটিশ পাঠান। বিষয়টি নিয়ে গত রোববার (১১ জানুয়ারি) হাইকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, ‘এই জমি নিয়ে আমরা বন্দরের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন করেছি; তা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে এই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই জমি নিয়ে বিরোধ চলছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও হয়। মামলাটি চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জায়গাটি ইজারার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মামলা চলা অবস্থায় ইজারা দেওয়ার উদ্যোগকে বেআইনি হিসেবে উল্লেখ করে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর এই রুল জারি করা হয়। এই অবস্থায় ইজারা দেওয়া থেকে সাময়িক পিছু হটে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বন্দরের কাছে জমিটি বরাদ্দ চাওয়া হয়। ওই জায়গায় খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য জমিটি চাওয়া হয়। বন্দরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক চসিককে একসনা (এক বছর) বরাদ্দ দেওয়া হয় জায়গাটি। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর করপোরেশনকে বুঝিয়ে দেওয়া জায়গাটির মাশুল বাবদ ৮৩ লাখ টাকা পরিশোধও করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এবং চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষে নিজেদের মালিকানার সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেন ডিসি। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, জায়গাটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখার তথ্যমতে, ১৮৮৫ সালে তৎকালীন সরকার বিরোধপূর্ণ জমিটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে। পরে ভুলবশত বিএস রেকর্ড বন্দরের নামে হয়নি। বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের যুগ্ম জজ আদালত-১-এ একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একসনা নিয়ে চসিক কীভাবে জায়গাটি ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায়, জানতে চাইলে সচিব আশরাফুল আমিন কোনো মন্তব্য করতে চাননি। এ বিষয়ে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামালের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। তবে সরওয়ার কামালের মোবাইলে কল দিয়ে নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।
চসিকের রাজস্ব শাখার ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, ‘বন্দর থেকে ৬ একর জায়গা লিজ নেওয়া হয়েছে, এটা জানি। জায়গাটি একসনা লিজ দেওয়া হয়েছে সিটি করপোরেশনকে; কিন্তু সিটি করপোরেশন ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায় কীভাবে, তা আমার জানা নেই। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে এই জমি ইজারা প্রদান বন্ধ রাখার কোনো পত্র পাইনি।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ও মুখপাত্র ওমর ফারুক বলেন, ফিরিঙ্গিবাজার মৌজার ৬ একর জমি খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য সিটি করপোরেশনের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, জেলা প্রশাসন ও বন্দরের মধ্যে একটি মামলা চলা অবস্থায় জমিটি চসিককে লিজ দেওয়া হয়েছে। চসিক আবার ২০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার জন্য দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিল। এ জন্য ৬ জানুয়ারি জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগ থেকে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে পত্র দেওয়া হয়েছে।

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়াও হয়েছে। এদিকে জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ান দাবি করে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের দাবি, জায়গাটি আরএস (রিভিশনাল সার্ভে) খতিয়ানে বন্দরের মালিকানা থাকলেও বিএস (বাংলাদেশ সার্ভে) খতিয়ানে তা জেলা প্রশাসনের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। জমিটি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বন্দরের একটি মামলা চলছে।
এদিকে গত ৭ নভেম্বর অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ ওই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে চট্টগ্রাম বন্দরকে আইনি নোটিশ পাঠান। বিষয়টি নিয়ে গত রোববার (১১ জানুয়ারি) হাইকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, ‘এই জমি নিয়ে আমরা বন্দরের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন করেছি; তা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে এই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই জমি নিয়ে বিরোধ চলছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও হয়। মামলাটি চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জায়গাটি ইজারার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মামলা চলা অবস্থায় ইজারা দেওয়ার উদ্যোগকে বেআইনি হিসেবে উল্লেখ করে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর এই রুল জারি করা হয়। এই অবস্থায় ইজারা দেওয়া থেকে সাময়িক পিছু হটে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বন্দরের কাছে জমিটি বরাদ্দ চাওয়া হয়। ওই জায়গায় খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য জমিটি চাওয়া হয়। বন্দরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক চসিককে একসনা (এক বছর) বরাদ্দ দেওয়া হয় জায়গাটি। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর করপোরেশনকে বুঝিয়ে দেওয়া জায়গাটির মাশুল বাবদ ৮৩ লাখ টাকা পরিশোধও করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এবং চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষে নিজেদের মালিকানার সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেন ডিসি। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, জায়গাটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখার তথ্যমতে, ১৮৮৫ সালে তৎকালীন সরকার বিরোধপূর্ণ জমিটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে। পরে ভুলবশত বিএস রেকর্ড বন্দরের নামে হয়নি। বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের যুগ্ম জজ আদালত-১-এ একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একসনা নিয়ে চসিক কীভাবে জায়গাটি ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায়, জানতে চাইলে সচিব আশরাফুল আমিন কোনো মন্তব্য করতে চাননি। এ বিষয়ে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামালের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। তবে সরওয়ার কামালের মোবাইলে কল দিয়ে নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।
চসিকের রাজস্ব শাখার ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, ‘বন্দর থেকে ৬ একর জায়গা লিজ নেওয়া হয়েছে, এটা জানি। জায়গাটি একসনা লিজ দেওয়া হয়েছে সিটি করপোরেশনকে; কিন্তু সিটি করপোরেশন ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায় কীভাবে, তা আমার জানা নেই। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে এই জমি ইজারা প্রদান বন্ধ রাখার কোনো পত্র পাইনি।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ও মুখপাত্র ওমর ফারুক বলেন, ফিরিঙ্গিবাজার মৌজার ৬ একর জমি খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য সিটি করপোরেশনের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, জেলা প্রশাসন ও বন্দরের মধ্যে একটি মামলা চলা অবস্থায় জমিটি চসিককে লিজ দেওয়া হয়েছে। চসিক আবার ২০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার জন্য দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিল। এ জন্য ৬ জানুয়ারি জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগ থেকে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে পত্র দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জেটিঘাটে জাহাজ থেকে নামতেই মাইকিংয়ের শব্দ কানে ভেসে আসে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মীকে পর্যটকদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘সম্মানিত পর্যটকবৃন্দ, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ করবেন না, পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় সরকার ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ...
৩ ঘণ্টা আগে