প্রতিনিধি, বান্দরবান

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিনজন নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মা কৃষ্ণাতি ত্রিপুরার কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি। গত বুধবার বান্দরবান সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাংগাই ত্রিপুরা পাড়া এলাকায় ভারী বর্ষণের ফলে ঝিরির পাশে এই ধসের ঘটনা ঘটে।
গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দমকল বাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালায়। কিন্তু আজ শুক্রবার কেবল আত্মীয়-স্বজনই নিখোঁজ কৃষ্ণাতির খোঁজে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুই শিশুকে উদ্ধারের পর ওই দিন সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে দাফন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার জগদিশ ত্রিপুরা আজ বিকেলে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় মা কৃষ্ণাদি ত্রিপুরা, মেয়ে বিনিতা ত্রিপুরা (১২) ও ছেলে প্রদীপ ত্রিপুরা (৮) পাহাড়ে জুম খেতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা ঝিরি (ছোট খাল) এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় পাশের পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে নিখোঁজ হন তাঁরা। নিখোঁজ কৃষ্ণাতি ত্রিপুরা সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাংগাই ত্রিপুরা পাড়ার মৃত দিয়াম্ব ত্রিপুরার স্ত্রী।
জগদিশ ত্রিপুরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নিখোঁজ দুই শিশু বাজেরুঙ (বিনিতা) ত্রিপুরা (১২) ও প্রদীপ ত্রিপুরার (৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যার দিকে ত্রিপুরা পাড়া এলাকায় দুই শিশুকে দাফন করা হয়। আজ সকাল থেকে স্থানীয় ও স্বজনরা কৃষ্ণাতি ত্রিপুরার খোঁজে উদ্ধার কাজ শুরু করলেও পুলিশ ও দমকল বাহিনীর কেউ আর আসেনি।
বৃহস্পতিবার বিকেল বৈরী আবহাওয়ার কারণে অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বান্দরবান সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম চৌধুরী।
আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নিখোঁজ কৃষ্ণাতি ত্রিপুরার এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিনজন নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মা কৃষ্ণাতি ত্রিপুরার কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি। গত বুধবার বান্দরবান সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাংগাই ত্রিপুরা পাড়া এলাকায় ভারী বর্ষণের ফলে ঝিরির পাশে এই ধসের ঘটনা ঘটে।
গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দমকল বাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালায়। কিন্তু আজ শুক্রবার কেবল আত্মীয়-স্বজনই নিখোঁজ কৃষ্ণাতির খোঁজে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুই শিশুকে উদ্ধারের পর ওই দিন সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে দাফন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার জগদিশ ত্রিপুরা আজ বিকেলে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় মা কৃষ্ণাদি ত্রিপুরা, মেয়ে বিনিতা ত্রিপুরা (১২) ও ছেলে প্রদীপ ত্রিপুরা (৮) পাহাড়ে জুম খেতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা ঝিরি (ছোট খাল) এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় পাশের পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে নিখোঁজ হন তাঁরা। নিখোঁজ কৃষ্ণাতি ত্রিপুরা সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাংগাই ত্রিপুরা পাড়ার মৃত দিয়াম্ব ত্রিপুরার স্ত্রী।
জগদিশ ত্রিপুরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নিখোঁজ দুই শিশু বাজেরুঙ (বিনিতা) ত্রিপুরা (১২) ও প্রদীপ ত্রিপুরার (৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যার দিকে ত্রিপুরা পাড়া এলাকায় দুই শিশুকে দাফন করা হয়। আজ সকাল থেকে স্থানীয় ও স্বজনরা কৃষ্ণাতি ত্রিপুরার খোঁজে উদ্ধার কাজ শুরু করলেও পুলিশ ও দমকল বাহিনীর কেউ আর আসেনি।
বৃহস্পতিবার বিকেল বৈরী আবহাওয়ার কারণে অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বান্দরবান সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম চৌধুরী।
আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নিখোঁজ কৃষ্ণাতি ত্রিপুরার এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৯ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৩৩ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে