মো. আনোয়ারুল ইসলাম ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা)

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রাহ্মণপাড়ায় অন্তত ১৬টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ৩৫টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা।
জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে উপজেলার সাহেবাবাদ এলাকায় ৩৬ দশমিক ৭৫ শতক জমি অধিগ্রহণ করে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়। কুমিল্লা জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ সেখানে সাইনবোর্ডও স্থাপন করে। কিন্তু নির্মাণকাজ এখনও শুরু হয়নি।
১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে ব্রাহ্মণপাড়াকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ৪২ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত এখানে একটি স্থায়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন গড়ে ওঠেনি।
স্থানীয়রা বলছেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় ব্রাহ্মণপাড়া সদর বাজার, সাহেবাবাদ, চান্দলা, শিদলাই, দুলালপুর, গোপালনগর, শশীদল, নাগাইশ, মাধবপুর, মহালক্ষ্মীপাড়া, বালিনা, নাল্লা, দীর্ঘভূমিসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাট-বাজার, দোকানপাট, বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর ওপর বিভিন্ন এলাকায় বোতলে করে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেলের মতো দাহ্য জ্বালানি বিক্রি হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়ায় কোথাও আগুন লাগলে পাশের বুড়িচং উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা অথবা কুমিল্লা শহর থেকে ফায়ার সার্ভিস ইউনিটকে আসতে হয়। ফলে খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। তৎক্ষণে আগুনে সব ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ওমর ফারুক পল্টু বলেন, ‘আমাদের উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস না থাকায় আগুন লাগলে বড় বিপদে পড়তে হয়। দূর থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে দেরি হওয়ায় তৎক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আমরা সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি।’ তিনি বলেন, জরুরি মুহূর্তে সময়মতো সহায়তা না পাওয়ায় জানমালের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন বলেন, ব্রাহ্মণপাড়ায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিগগিরই নির্ধারিত স্থানে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রাহ্মণপাড়ায় অন্তত ১৬টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ৩৫টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা।
জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে উপজেলার সাহেবাবাদ এলাকায় ৩৬ দশমিক ৭৫ শতক জমি অধিগ্রহণ করে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়। কুমিল্লা জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ সেখানে সাইনবোর্ডও স্থাপন করে। কিন্তু নির্মাণকাজ এখনও শুরু হয়নি।
১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে ব্রাহ্মণপাড়াকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ৪২ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত এখানে একটি স্থায়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন গড়ে ওঠেনি।
স্থানীয়রা বলছেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় ব্রাহ্মণপাড়া সদর বাজার, সাহেবাবাদ, চান্দলা, শিদলাই, দুলালপুর, গোপালনগর, শশীদল, নাগাইশ, মাধবপুর, মহালক্ষ্মীপাড়া, বালিনা, নাল্লা, দীর্ঘভূমিসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাট-বাজার, দোকানপাট, বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর ওপর বিভিন্ন এলাকায় বোতলে করে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেলের মতো দাহ্য জ্বালানি বিক্রি হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়ায় কোথাও আগুন লাগলে পাশের বুড়িচং উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা অথবা কুমিল্লা শহর থেকে ফায়ার সার্ভিস ইউনিটকে আসতে হয়। ফলে খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। তৎক্ষণে আগুনে সব ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ওমর ফারুক পল্টু বলেন, ‘আমাদের উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস না থাকায় আগুন লাগলে বড় বিপদে পড়তে হয়। দূর থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে দেরি হওয়ায় তৎক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আমরা সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি।’ তিনি বলেন, জরুরি মুহূর্তে সময়মতো সহায়তা না পাওয়ায় জানমালের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন বলেন, ব্রাহ্মণপাড়ায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিগগিরই নির্ধারিত স্থানে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এর মধ্যে রয়েছে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১টি গুলি, ৩ বোতল ফেনসিডিল ও ৭টি ইয়াবা।
১৬ মিনিট আগে
ফাঁদে আটকা পড়ার কারণে বাঘটির বাম পায়ের শিরা ও নার্ভ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রক্ত চলাচল বন্ধ ছিল। বয়স্ক হওয়ায় বাঘটি তার স্বাভাবিক শক্তি হারিয়েছে। বাঘটিকে স্বাভাবিক ও সুস্থ করতে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন বন্য প্রাণী চিকিৎসকেরা।
২৪ মিনিট আগে
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রাক্টরচাপায় খালিদ হোসেন (১৭) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে। নিহত কিশোর উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বারাইশ গ্রামের ছালেহ আহম্মেদের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে নবগ্রাম- মুন্সিরহাট সড়কের কনকপুর এলাকায়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন থানার উপপরিদর্শক মো. রায়হান হোসেন।
১ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সুন্দরবনের পর্যটনবাহী নৌযানমালিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমি, মোংলা-রামপাল সার্কেলের পুলিশ সুপার রিফাতুল ইসলাম ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমানের আশ্বাসের
১ ঘণ্টা আগে