
আমার মা নানার একমাত্র মেয়ে। তিনি নানার আগে মারা যান। আমরা দুই বোন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি আমাদের নানার সম্পত্তি পাব? নানি এখনো জীবিত আছেন।
উত্তর: আপনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি হলো—
আপনার মা ছিলেন আপনার নানার একমাত্র কন্যা। কিন্তু তিনি নানার আগে ইন্তেকাল করেছেন। আপনার নানি জীবিত আছেন এবং আপনারা দুই বোন। আপনার নানা কোনো ভাইবোন রেখে গেছেন কি না, তা বলেননি।
সাধারণ শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান (নাতনি) নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ধারা ৪ অনুযায়ী ‘প্রতিনিধিত্বের নীতি’ কার্যকর।
এই নীতি অনুযায়ী, যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
এই আইনের আলোকে বণ্টন হবে,নানার স্ত্রী (নানি): মৃত ব্যক্তির সন্তান বা সন্তানের সন্তান থাকলে নানার স্ত্রী পাবে ১/৮ (০.১২৫) অংশ।
মৃত কন্যার সন্তান (আপনারা দুই বোন): আপনার মা জীবিত থাকলে তিনি একমাত্র কন্যা হিসেবে অবশিষ্ট সম্পত্তির মালিক হতেন।
আইনের প্রতিনিধিত্ব নীতি অনুযায়ী, সেই অংশটি আপনারা দুই বোন সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।
মোট অংশ = ৭/৮
প্রতি কন্যা পাবে = ০.৪৩৭৫ অংশ করে
চূড়ান্ত বণ্টন:
বাংলাদেশে প্রযোজ্য ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আপনারা দুই
বোন আইনগতভাবে নানার সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী। যদিও শরিয়তের প্রচলিত ফারায়েজে
তা প্রযোজ্য নয়।
আইনগত প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনে পারিবারিক আদালত বা আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।
এ ছাড়া নিচের লিংকে গিয়ে উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরে আপনি সহজে উত্তরাধিকার হিসেবে কে কত অংশ পাবেন, তা জেনে নিতে পারবেন।
https:/ /uttoradhikar.gov.bd/

নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে বাঙালির যোগাযোগ তৈরি হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে। অবিভক্ত ভারতবর্ষে প্রথম নোবেল পান তিনি। এরপর একে একে অমর্ত্য সেন এবং অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করেন। ভারতের প্রথম নারী নোবেল লরিয়েটও হতে পারতেন এক বাঙালি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেটি হয়নি।
১ দিন আগে
জীবনসংগ্রামে ঘুরে দাঁড়ানো এক নারী শিল্পী বেগম। শখের বশে শেখা দরজির কাজে তাঁর সুদিন ফিরেছে। দূর হয়েছে ভাতের কষ্ট, গড়েছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। শিল্পী এখন নারীদের কাজের সুযোগ তৈরির জন্য দরজির কাজ শিখিয়ে চলেছেন।
১ দিন আগে
ক্রিস্টা ও তাঁর প্রেমিক তাদারিল শিপ মিলে টেনেসির নক্সভিলে স্লেমারকে যেভাবে হত্যা করেন, সেটা ছিল যথেষ্ট নৃশংস। স্লেমারের বুকে খোদাই করা একটি উল্টো ‘পেন্টাগ্রাম’ বা শয়তান উপাসকদের প্রতীক পাওয়া যায়। সাজা ঘোষণার সময় বিচারক হয়তো এই নৃশংসতার কথাই স্মরণে রেখেছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সময় ক্রিস্টা পাইকের প্রেমিকে
১ দিন আগে
প্রশ্ন: আমি খালার সঙ্গে ঢাকায় থাকতাম। ছয় মাস আগে খালা একটি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বর্তমানে একটা হোস্টেলে অন্যান্য মেয়ের সঙ্গে থাকি। সারা দিন ক্লাস করে রুমে এসে খাবার বানাই। আমার সারা দিনের জীবন একটা নির্দিষ্ট ছকে চলে। কিন্তু নিজেকে ওই দুর্ঘটনার পরের দিনগুলো থেকে বের করতে পারছি না। খালা আমাকে আগলে
১ দিন আগে