
মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারের বিভিন্ন ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল রাখা এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির অভিযোগে সাতটি ফার্মেসিকে মোট ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘিওর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন ঘিওর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর ইসলাম। অভিযানে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের ড্রাগ সুপারিনটেনডেন্ট মো. ফয়সাল ফুয়াদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল সংরক্ষণ, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি এবং আইন অমান্য করে ওষুধ মজুত ও বিক্রির অভিযোগে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ৪০ ধারায় সাতটি মামলা করা হয়।
এর মধ্যে মেসার্স মনির মেডিসিন কর্নারকে ২৫ হাজার টাকা, মানিক মেডিকেল হল ও আনোয়ারা ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা করে, শাওন ফার্মেসি, আলম মেডিকেল কর্নার ও মনোয়ার ফার্মেসিকে ৩ হাজার টাকা করে এবং কাজল মেডিকেল কর্নারকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের ক্রেডিট চেকিং সায়রাত সহকারী এস এম আনোয়ার হোসেন সুমন ও ঘিওর থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে ওষুধের দোকানে নিয়মিত তদারকি ও আইনানুগ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মেঘনা নদীর তীরবর্তী ফসলি জমিগুলো বর্তমানে পানির নিচে। সেই কৃষিজমির উপরিভাগের (টপসয়েল) মাটি এক্সকাভেটর দিয়ে কেটে নেওয়া হচ্ছিল অনুমতি ছাড়াই। পরে ওই মাটি বাল্কহেডে করে নিয়ে ইটভাটায় দেওয়া হতো। খবর পেয়ে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি এক্সকাভেটর, একটি পল্টুন ও একটি বাল্কহেড
১০ মিনিট আগে
আজ শুক্রবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটক বিমান কর্মীর নাম ওবায়দুর রহমান। অপর ব্যক্তি একজন যাত্রী, তাঁর পরিচয় জানানো হয়নি। এতে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মীর দেহ তল্লাশি করে ২ কোটি ১০ লাখ টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতি নদীর ভাঙনে চরপুকুরিয়া থেকে চরগয়েশপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় ১৫ থেকে ২০টি পরিবারের বসতভিটা ও ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। চার দশকের বেশি সময় ধরে চলা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফসলি জমি, দোকানপাট ও রাস্তাঘাট।
২৩ মিনিট আগে
মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, নির্মাণাধীন ভবন, বেজমেন্ট, লিফটের গর্ত ও ছাদে জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। তাই ভবন নির্মাণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় পানি জমা প্রতিরোধ এবং নির্মাণস্থলে নিয়মিত লার্ভা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে...
২৬ মিনিট আগে