ফরিদপুর প্রতিনিধি

মোবাইলে জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে ফরিদপুরে ইজ্জল শেখ নামের এক ব্যক্তির মুখে বিষ ঢেলে পানিতে চুবিয়ে রেখে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। নিহতের ময়নাতদন্ত শেষে আজ রোববার সন্ধ্যায় দাফন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে গতকাল শনিবার ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামে।
ইজ্জল শেখ ওই গ্রামের বাসিন্দা। সংসারে তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তবে তিনি কোনো কাজ করতেন না। তার স্ত্রী ভিক্ষা করে সংসার চালান।
জানা গেছে, শনিবার পবিত্র ঈদুল আজহার দিনদুপুরে হোগলাকান্দি বাজারের পাশে নদীর তীরে বসে ইজ্জল শেখ মোবাইলে জুয়া ধরে লুডু খেলতে বসেন স্থানীয় হানিফ শেখের সঙ্গে। খেলা শেষ হলে বাড়ি ফিরে যান ইজ্জল শেখ।
পরে হানিফ শেখ তার মোবাইল খুঁজে না পেলে ইজ্জল শেখকে ডেকে আনেন এবং মোবাইল সে নিয়েছে বলে তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে যেখানে বসে লুডু খেলছিলেন সেখান থেকে মোবাইল এনে হানিফ শেখকে দেন তিনি।
এ ঘটনা নিয়ে ওই দিন বিকেলে ইজ্জল শেখকে পুনরায় মারধর করে হানিফ শেখ ও তার লোকজন। পরে হোগলাকান্দি বাজার সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পাশে ইজ্জল শেখকে পরে থাকতে এবং মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখে স্থানীয় লোকজন।
এর কিছুক্ষণ পর হানিফ শেখের লোকজন ইজ্জল শেখকে অসুস্থ অবস্থায় তুলে নিয়ে বাজারের পাশে নদীর পানির মধ্যে চুপিয়ে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পরে রাত ৯টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে ইজ্জল শেখের পরিবারের দাবি, তাকে মারধর ও বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি স্বজনদের।

নিহতের স্ত্রী নবীরন বেগম বলেন, ‘আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। স্বামী কোনো কাজ করত না। সে মাঝে মধ্যে জুয়া খেলতো, তাকে অনেকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু শুনে না। ঈদের দিন আমি ফরিদপুর গেছিলাম মাংস জোগাড় করতে। বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে গিয়ে মাংস নিয়ে বাড়িতে আসি। এরপর বাড়ি এসে শুনতে পারি, আমার স্বামীকে হানিফসহ তার লোকজন মারধর করেছে। আমি বিষয়টি জানতে গেলে আমাকেও মারধর করে।
তিনি বলেন, মারধর করার পর আমার স্বামীর মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। তারপর তাকে নদীতে নিয়ে চুবানো হয়, একপর্যায়ে তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে সেখান থেকে হানিফ ও তার লোকজন চলে যায়। পরে স্থানীয়রা আমার স্বামীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ আলতাফ হুসাইন বলেন, হোগলাকান্দি এলাকায় মাদক ও জুয়ায় সয়লাব হয়ে গেছে। যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ইজ্জল শেখের মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের সহায়তা কামনা করেন এবং যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানান তিনি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ইজ্জল শেখের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার মৃত্যু বিষক্রিয়ায় হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
তিনি জানান, তবে মোবাইলে জুয়া খেলা নিয়ে তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অন্য কোনো কারণ পেলে সেই হিসেবে মামলা নেওয়া হবে।
এদিকে আজ রোববার বিকেলে নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বামীকে হারিয়ে কাঁদছে নবীরন বেগম, কাঁদছে শিশু সন্তানেরাও। আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীরা তাকে সান্ত্বনা দিলেও থামছে না তার চোখের পানি। এমন নির্মম মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

মোবাইলে জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে ফরিদপুরে ইজ্জল শেখ নামের এক ব্যক্তির মুখে বিষ ঢেলে পানিতে চুবিয়ে রেখে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। নিহতের ময়নাতদন্ত শেষে আজ রোববার সন্ধ্যায় দাফন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে গতকাল শনিবার ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামে।
ইজ্জল শেখ ওই গ্রামের বাসিন্দা। সংসারে তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তবে তিনি কোনো কাজ করতেন না। তার স্ত্রী ভিক্ষা করে সংসার চালান।
জানা গেছে, শনিবার পবিত্র ঈদুল আজহার দিনদুপুরে হোগলাকান্দি বাজারের পাশে নদীর তীরে বসে ইজ্জল শেখ মোবাইলে জুয়া ধরে লুডু খেলতে বসেন স্থানীয় হানিফ শেখের সঙ্গে। খেলা শেষ হলে বাড়ি ফিরে যান ইজ্জল শেখ।
পরে হানিফ শেখ তার মোবাইল খুঁজে না পেলে ইজ্জল শেখকে ডেকে আনেন এবং মোবাইল সে নিয়েছে বলে তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে যেখানে বসে লুডু খেলছিলেন সেখান থেকে মোবাইল এনে হানিফ শেখকে দেন তিনি।
এ ঘটনা নিয়ে ওই দিন বিকেলে ইজ্জল শেখকে পুনরায় মারধর করে হানিফ শেখ ও তার লোকজন। পরে হোগলাকান্দি বাজার সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পাশে ইজ্জল শেখকে পরে থাকতে এবং মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখে স্থানীয় লোকজন।
এর কিছুক্ষণ পর হানিফ শেখের লোকজন ইজ্জল শেখকে অসুস্থ অবস্থায় তুলে নিয়ে বাজারের পাশে নদীর পানির মধ্যে চুপিয়ে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পরে রাত ৯টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে ইজ্জল শেখের পরিবারের দাবি, তাকে মারধর ও বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি স্বজনদের।

নিহতের স্ত্রী নবীরন বেগম বলেন, ‘আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। স্বামী কোনো কাজ করত না। সে মাঝে মধ্যে জুয়া খেলতো, তাকে অনেকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু শুনে না। ঈদের দিন আমি ফরিদপুর গেছিলাম মাংস জোগাড় করতে। বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে গিয়ে মাংস নিয়ে বাড়িতে আসি। এরপর বাড়ি এসে শুনতে পারি, আমার স্বামীকে হানিফসহ তার লোকজন মারধর করেছে। আমি বিষয়টি জানতে গেলে আমাকেও মারধর করে।
তিনি বলেন, মারধর করার পর আমার স্বামীর মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। তারপর তাকে নদীতে নিয়ে চুবানো হয়, একপর্যায়ে তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে সেখান থেকে হানিফ ও তার লোকজন চলে যায়। পরে স্থানীয়রা আমার স্বামীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ আলতাফ হুসাইন বলেন, হোগলাকান্দি এলাকায় মাদক ও জুয়ায় সয়লাব হয়ে গেছে। যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ইজ্জল শেখের মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের সহায়তা কামনা করেন এবং যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানান তিনি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ইজ্জল শেখের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার মৃত্যু বিষক্রিয়ায় হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
তিনি জানান, তবে মোবাইলে জুয়া খেলা নিয়ে তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অন্য কোনো কারণ পেলে সেই হিসেবে মামলা নেওয়া হবে।
এদিকে আজ রোববার বিকেলে নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বামীকে হারিয়ে কাঁদছে নবীরন বেগম, কাঁদছে শিশু সন্তানেরাও। আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীরা তাকে সান্ত্বনা দিলেও থামছে না তার চোখের পানি। এমন নির্মম মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
২ ঘণ্টা আগে