ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পাটকলের এক নারী শ্রমিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে। পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত নারীর নাম ময়না বেগম (৩৫)। উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের মাঝিকান্দিপাড়ার ইউনুচ শেখের মেয়ে তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১৫ বছর আগে সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ময়নার। তবে কলহের জেরে দুই মাসের মাথায় তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ময়না বিয়ে করেন একই উপজেলার পরমেশ্বরদী গ্রামের শামীম হোসেনকে। এই সংসারে তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে হয়। দুই বছর আগে শামীম মারা গেলে তিনি পাটকলে শ্রমিক হিসেবে কাজ নেন।
গত রোববার ময়না চুয়াডাঙ্গার জামাল হোসেনের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিষয়টি জানতে পারে সাবেক স্বামী শরিফুল পরদিনই ময়নার বাড়িতে এসে তাঁকে হুমকি দিয়ে নতুন স্বামীকে তালাক দিতে বলেন। এতে ময়না রাজি হননি।
নিহত ময়নার ভাই একরাম হোসেন জানান, গত বুধবার সকালে বাড়িতে এসে ময়নাকে তুলে নেন শরিফুলসহ তাঁর লোকজন। পরে নির্যাতনের ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান শরিফুল। পরে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে রাতে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতিকালে তিনি মারা যান। তখন পালিয়ে যান শরিফুল।
আজ শুক্রবার দুপুরে বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ময়নার বৃদ্ধা মা আছিরন বেগম মেয়েকে হারিয়ে আহাজারি করছেন। তিনি বলেন, ‘শরিফুল খারাপ ধরনের লোক। ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলেও আমার মেয়ের পিছু ছাড়েনি। আমি ওর ফাঁসি চাই।’
এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, নিহত ময়নার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে হত্যার মূল কারণ জানা যাবে। পুলিশ এ বিষয়ে এখনো অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পাটকলের এক নারী শ্রমিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে। পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত নারীর নাম ময়না বেগম (৩৫)। উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের মাঝিকান্দিপাড়ার ইউনুচ শেখের মেয়ে তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১৫ বছর আগে সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ময়নার। তবে কলহের জেরে দুই মাসের মাথায় তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ময়না বিয়ে করেন একই উপজেলার পরমেশ্বরদী গ্রামের শামীম হোসেনকে। এই সংসারে তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে হয়। দুই বছর আগে শামীম মারা গেলে তিনি পাটকলে শ্রমিক হিসেবে কাজ নেন।
গত রোববার ময়না চুয়াডাঙ্গার জামাল হোসেনের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিষয়টি জানতে পারে সাবেক স্বামী শরিফুল পরদিনই ময়নার বাড়িতে এসে তাঁকে হুমকি দিয়ে নতুন স্বামীকে তালাক দিতে বলেন। এতে ময়না রাজি হননি।
নিহত ময়নার ভাই একরাম হোসেন জানান, গত বুধবার সকালে বাড়িতে এসে ময়নাকে তুলে নেন শরিফুলসহ তাঁর লোকজন। পরে নির্যাতনের ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান শরিফুল। পরে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে রাতে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতিকালে তিনি মারা যান। তখন পালিয়ে যান শরিফুল।
আজ শুক্রবার দুপুরে বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ময়নার বৃদ্ধা মা আছিরন বেগম মেয়েকে হারিয়ে আহাজারি করছেন। তিনি বলেন, ‘শরিফুল খারাপ ধরনের লোক। ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলেও আমার মেয়ের পিছু ছাড়েনি। আমি ওর ফাঁসি চাই।’
এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, নিহত ময়নার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে হত্যার মূল কারণ জানা যাবে। পুলিশ এ বিষয়ে এখনো অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পুকুর খননে বাধা দেওয়ায় আহমেদ জুবায়ের (২৩) নামের এক তরুণকে হত্যার ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওয়াপদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২৪ মিনিট আগে
এসআই সুমন চন্দ্র শেখ আরও বলেন, ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তেলবাহী লরির সংঘর্ষে দুই চালকসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার বড় খোঁচাবাড়ি এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে শুরুতে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্র থেকে। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমার কয়েক দিন আগে একই আসনে গোলাম আকবর খন্দকারকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। আগের প্রার্থী বাতিলের বিষয় স্পষ্ট করা হয়নি কেন্দ্র থেকে।
২ ঘণ্টা আগে