
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ইকবাল হোসেন চৌধুরী ওরফে মেজর ইকবালকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বেলা ৩টায় রাউজান পৌরসভা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
গ্রেপ্তার ইকবাল রাউজান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতানপুর এলাকার আব্দুল কুদ্দুস প্রকাশ কালু মেম্বারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, থানার নথিপত্র অনুযায়ী মেজর ইকবালের বিরুদ্ধে ছয়টি হত্যা মামলা, দাঙ্গা-মারামারি, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ ১১টি মামলার বিবরণ রয়েছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানিয়েছেন, রাউজান, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়া থানায় তাঁর নামে ৪০টির বেশি মামলা রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার ইকবাল স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন একজন ভয়ংকর অপরাধী হিসেবে। তিনি শ্যামল হত্যা, আমান হত্যা, ভিপি বাবু হত্যা ও মুজিব হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। তিনি একটি সক্রিয় ডাকাত দলের নেতৃত্ব দিতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে রাউজান, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়া এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, মেজর ইকবাল দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। গতকাল তাঁকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, এটি পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের অংশ। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

এত টাকা আত্মসাতের মামলায় কিছু টাকা পরিশোধ না করলে সাধারণত আদালত জামিন দেন না। শুধু আপস করবেন বলে লিখিত গ্রহণ করে জামিন দিয়েছেন। এতে বাদী ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
১৮ মিনিট আগে
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে
২২ মিনিট আগে
নড়িয়ায় অবৈধভাবে মজুত করা ৭ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি ওই ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত এক মাসে ৮৯৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। একই সময়ে সীমিত পরিসরে ১২৮৯টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে, যা বিমান চলাচলে বড় ধরনের অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৩৮ মিনিট আগে