
বরিশালের উজিরপুরে গভীর রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তির অবস্থায় ছাত্রশিবিরের নেতা মাইনুল ইসলামকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাঁকে পুলিশে দেওয়া হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে মুসল্লিবাড়িতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে তাঁকে আটক করা হয়। ওই বাড়িসংলগ্ন মসজিদে আগে ইমামতি করতেন মাইনুল। বাড়ি উজিরপুর উপজেলার পশ্চিম শোলক গ্রামে।
মাইনুল গৌরনদী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে। তবে জামায়াত দাবি করেছে, মাইনুল শিবিরের বহিষ্কৃত কর্মী।
স্থানীয়রা জানান, মসজিদসংলগ্ন পাশের বাড়ির এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে মাইনুলের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায়ই তিনি (মাইনুল) ওই নারীর ঘরে অবাধে যাতায়াত করতেন। ওঁত পেতে থাকা স্থানীয় লোকজন বৃহস্পতিবার রাতে নারীসহ মাইনুলকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে নারীসহ মাইনুলকে গৌরনদী থানায় নিয়ে আসে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. জুয়েল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিকে অসামাজিক ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর গৌরনদী উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আল আমিন বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি আগে শিবির করতেন। নানা বদমান থাকায় তাঁকে অনেক আগে বহিষ্কার করা হয়েছে। শিবিরের বর্তমান কমিটির কোনো নেতার মোবাইল ফোন নম্বরও মাইনুলের কাছে নেই বলে দাবি করেন মাওলানা আল আমিন।
আরও খবর পড়ুন:

শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
৫ মিনিট আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
৪০ মিনিট আগে
ঈদের পর আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ হবে সংগঠনের নাম, আহ্বায়ক কমিটি— যার মাধ্যমে ঢাকায় বসবাসরত মিরসরাই উপজেলার মানুষদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করবে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনার সময় আলম তাজ একা ছিলেন। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করার ফলে মুখমণ্ডল থেঁতলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি লোহার তৈরি শাবল জব্দ করেছে।
১ ঘণ্টা আগে