নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডাকসু নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিটকারী বি এম ফাহমিদা আলমকে ধর্ষণের হুমকি দেন আলী হুসেন নামের এক শিক্ষার্থী। এবার সেই আলী হুসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজ সোমবার রাতে প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস। হুমকিদাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ সেশন ও সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
এস এম ফরহাদ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন, ‘কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করে ধর্ষণের হুমকির ঘটনা নারীর প্রতি অবমাননা ও সহিংসতামূলক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ জঘন্য অপরাধে জড়িত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি জানাই।’
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ‘গত ২৬ আগস্ট চারুকলা অনুষদে একদল দুর্বৃত্ত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী সাবিকুন নাহার তামান্নার ছবি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণভাবে বিকৃত করে হেনস্তা করে, যা নারীর প্রতি সহিংসতামূলক মনোভাব ও হিজাবোফোবিয়ার পরিচায়ক। এ ঘটনা ডাকসু নির্বাচনের নারী প্রার্থীদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করেছে। সিসিটিভির ফুটেজ ও পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উক্ত ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
সেখানে আরও বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ করেছি, বিগত কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং কমনরুম, পাঠকক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমাকে নিয়ে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ব্যক্তিগত প্রোফাইলে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন এবং আমরা উক্ত দুজন নারী প্রার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
‘আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আক্রমণ সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের নির্লিপ্ততা নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবার জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতে প্রশাসনের সদিচ্ছা নিয়েও আমরা আস্থাশীল হতে পারছি না। আমরা অবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এ ধরনের অভিযোগসমূহ যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। ফাতিমা তাসনিম জুমা, উম্মে ছালমাসহ সব নারী প্রার্থীর জন্য নিরাপদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিশ্চিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
শিবিরের এ সভাপতি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারীর প্রতি সহিংসতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের প্রতি বুলিং, স্লাট-শেমিং ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের ব্যাপারে আমাদের সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ রয়েছে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া, জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত এবং ক্যাম্পাস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও নারী হেনস্তার বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

ডাকসু নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিটকারী বি এম ফাহমিদা আলমকে ধর্ষণের হুমকি দেন আলী হুসেন নামের এক শিক্ষার্থী। এবার সেই আলী হুসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজ সোমবার রাতে প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস। হুমকিদাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ সেশন ও সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
এস এম ফরহাদ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন, ‘কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করে ধর্ষণের হুমকির ঘটনা নারীর প্রতি অবমাননা ও সহিংসতামূলক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ জঘন্য অপরাধে জড়িত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি জানাই।’
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ‘গত ২৬ আগস্ট চারুকলা অনুষদে একদল দুর্বৃত্ত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী সাবিকুন নাহার তামান্নার ছবি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণভাবে বিকৃত করে হেনস্তা করে, যা নারীর প্রতি সহিংসতামূলক মনোভাব ও হিজাবোফোবিয়ার পরিচায়ক। এ ঘটনা ডাকসু নির্বাচনের নারী প্রার্থীদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করেছে। সিসিটিভির ফুটেজ ও পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উক্ত ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
সেখানে আরও বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ করেছি, বিগত কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং কমনরুম, পাঠকক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমাকে নিয়ে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ব্যক্তিগত প্রোফাইলে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন এবং আমরা উক্ত দুজন নারী প্রার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
‘আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আক্রমণ সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের নির্লিপ্ততা নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবার জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতে প্রশাসনের সদিচ্ছা নিয়েও আমরা আস্থাশীল হতে পারছি না। আমরা অবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এ ধরনের অভিযোগসমূহ যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। ফাতিমা তাসনিম জুমা, উম্মে ছালমাসহ সব নারী প্রার্থীর জন্য নিরাপদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিশ্চিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
শিবিরের এ সভাপতি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারীর প্রতি সহিংসতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের প্রতি বুলিং, স্লাট-শেমিং ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের ব্যাপারে আমাদের সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ রয়েছে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া, জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত এবং ক্যাম্পাস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও নারী হেনস্তার বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে