
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিখোঁজ সজল দাসকে (৩০) বাড়ি পাঠাতে তাঁর মোবাইল নম্বর থেকে মায়ের নম্বরে কল করে ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন নিখোঁজের চাচা শংকর দাস।
সজল দাস ভোলার লালমোহন উপজেলায় ব্র্যাকে চাকরি করতেন। কর্মস্থল থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার বাড়ি ফেরার পথে স্পিডবোটটি কীর্তনখোলা নদী ও লাহারহাট খালের সংযোগস্থলে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনার পর থেকে সজলের কোনো খোঁজ মেলেনি। এরই মধ্যে সজলের মোবাইল নম্বর থেকে তাঁর মায়ের কাছে ফোন করে একটি অজ্ঞাত চক্র সজলকে ফেরত পাঠানোর জন্য ২৫ হাজার টাকা দাবি করে এবং বিকাশ নম্বর দেয়।
নিখোঁজের চাচা শংকর দাস জানান, দুর্ঘটনার পরপরই তারা নদী ও আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর নেন। বরিশাল ডিসি ঘাট এলাকা থেকে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি সজলের ব্যাগ বুঝিয়ে দেন। তবে সেই ব্যাগে সজল দাসের মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে সিম ক্লোনের বিষয়টি উঠে এসেছে। সিমের লোকেশন আগের জায়গাতেই রয়েছে, যা প্রতারণার প্রমাণ। পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে এবং প্রতারক চক্রকে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চরকাউয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষে একটি স্পিডবোট ডুবে যায়। এতে একজন নিহত এবং তিনজন নিখোঁজ হন। বোটে সজল দাস ছিলেন।

সুনামগঞ্জে ‘ইস্ট ইন্ডিয়া ১৮১৮’ লেখা চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের প্রাচীন লোহার একটি সীমানাপিলার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের রূপ মিয়ার বসতবাড়ি থেকে এই লোহার বস্তুটি উদ্ধার করা হয়।
২ মিনিট আগে
ঢাকার কেরানীগঞ্জের খোলামোড়া এলাকায় বাড়ির পাশ থেকে মমতাজ (৩০) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্বজনদের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা।
১১ মিনিট আগে
ইমরান শেখ নামের টাকা গ্রহীতা ব্যক্তি বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়ন (খ) ভূমি অফিসের উপসহকারী পদে কর্মরত রয়েছেন। সম্প্রতি তিনি অফিস কক্ষে চেয়ারে বসেই গুনে গুনে টাকাগুলো নেন। এ সময় টাকা দেওয়া ব্যক্তির নাম-পরিচয়ও নোট করে রাখেন।
১৯ মিনিট আগে
উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর আলীনগর এলাকায় অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা যে পানি পান করেন, আজ সকালে সে পানি গ্লাসে নেওয়ার পর তাতে সাদা ফেনা এবং বিষাক্ত গন্ধ পাওয়া যায়। তবে পুলিশ সদস্যরা সেই পানি পান না করায় কোনো বিপদ ঘটেনি।
১ ঘণ্টা আগে