নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে পৃথক ছয়টি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জাকী আল ফারাবী গ্রেপ্তার দেখানোর এই নির্দেশ দেন।
সকাল ৮টার আগে বিচারপতি মানিককে আদালতে হাজির করা হয়। আদাবর, লালবাগ ও বাড্ডা থানার ছয় মামলায় তদন্ত কর্মকর্তারা ভিন্ন ভিন্নভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রতিটি আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদাবর থানার একটি, লালবাগ থানার একটি ও বাড্ডা থানার চারটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রসিকিউশন দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
যেসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তা হলো আদাবর থানার পোশাকশ্রমিক রুবেল হত্যা মামলা, লালবাগ থানার আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লা হত্যা মামলা এবং বাড্ডা থানার সুমন শিকদার, হাফিজুল শিকদার, তৌফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ও সোহাগ হত্যা মামলা।
প্রতিটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে এসব হত্যা মামলায় জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এসব মামলায় তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হবে। আপাতত তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আলমগীর হোসেন শামসুদ্দিন মানিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পুলিশ তাঁকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যায়। এর আগে ২৩ আগস্ট রাতে অবৈধভাবে সিলেটের কানাইঘাট (দনা) সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাবেক বিচারপতি মানিককে আটক করে বিজিবি। পরে তাঁকে কানাইঘাট থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সিলেট আদালতে হাজির করার সময় তাঁকে জনগণ মারধর করে। তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টার দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় গত মঙ্গলবার তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। পরে ওই দিনই হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে পৃথক ছয়টি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জাকী আল ফারাবী গ্রেপ্তার দেখানোর এই নির্দেশ দেন।
সকাল ৮টার আগে বিচারপতি মানিককে আদালতে হাজির করা হয়। আদাবর, লালবাগ ও বাড্ডা থানার ছয় মামলায় তদন্ত কর্মকর্তারা ভিন্ন ভিন্নভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রতিটি আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদাবর থানার একটি, লালবাগ থানার একটি ও বাড্ডা থানার চারটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রসিকিউশন দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
যেসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তা হলো আদাবর থানার পোশাকশ্রমিক রুবেল হত্যা মামলা, লালবাগ থানার আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লা হত্যা মামলা এবং বাড্ডা থানার সুমন শিকদার, হাফিজুল শিকদার, তৌফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ও সোহাগ হত্যা মামলা।
প্রতিটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে এসব হত্যা মামলায় জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এসব মামলায় তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হবে। আপাতত তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আলমগীর হোসেন শামসুদ্দিন মানিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পুলিশ তাঁকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যায়। এর আগে ২৩ আগস্ট রাতে অবৈধভাবে সিলেটের কানাইঘাট (দনা) সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাবেক বিচারপতি মানিককে আটক করে বিজিবি। পরে তাঁকে কানাইঘাট থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সিলেট আদালতে হাজির করার সময় তাঁকে জনগণ মারধর করে। তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টার দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় গত মঙ্গলবার তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। পরে ওই দিনই হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে