কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাং সদস্যরা মো. হৃদয় (১৯) নামের এক সিএনজি অটোচালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের ধোড়করা বাজারে। নিহত হৃদয় ওই ইউনিয়নের শাকতলা গ্রামের হেদায়েতুল্লার ছেলে।
রাত ১১টার দিকে মৃত্যুর তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন।
হৃদয়ের বন্ধু রাকিব জানান, রাত সাড়ে ৮টার সময় ধোড়করা বাজারের পূর্ব পাশে স্থানীয় ঘোষতল গ্রামের প্রান্ত ও শাকতলার আসিফ নামে দুই কিশোর রাস্তার মাঝে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময়ে কথা-কাটাকাটি হয়। তাৎক্ষণিক সেখানে বিষয়টি শেষ হলেও কিছুক্ষণ পর ঘোষতল গ্রামের কিশোর গ্যাং লিডার রাজিবের নেতৃত্বে প্রান্ত, রিফাত ও ফানসির নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাজারে অবস্থান করে। কিছুক্ষণ পর ওয়াসিমের গ্যারেজে শাকতলার সিএনজি অটোচালক হৃদয় সিএনজি রাখার জন্য প্রবেশ করলে কিশোর গ্যাং লিডার রাজিব চালক হৃদয়কে এলোপাতাড়ি বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হৃদয়ের ভাই ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই সিএনজি অটোচালক। লোকজনের মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি কিশোর গ্যাং সদস্যরা ছুরি মেরে আমার ভাইকে হত্যা করেছে।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আকিব মাহমুদ মাহি বলেন, ‘হৃদয়কে কিছু লোক রাত সাড়ে ৯টায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। আমরা তাঁর বুকের ডান পাশে গভীর আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।’
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন জানান, ‘খবর পেয়ে আমরা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে অভিযানে নেমে পড়েছি। তবে ঠিক কী কারণে হৃদয়কে হত্যা করা হয়েছে, তা জানারও চেষ্টা করছি।’

রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগের প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর এত দিন পার হলেও কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি এখনো পদে যোগ দিতে পারেননি। অন্তর্বর্তীকালীন....
৩৬ মিনিট আগে
রংপুর বিভাগের আট জেলার জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি রয়েছেন মাত্র পাঁচজন। জনবলের অভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ডুবুরিরা যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তখন শুধু মরদেহই অপেক্ষা করে।
৩৬ মিনিট আগে
ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে যায় পুকুরে। আর সেই পুকুরে গোসল করতে নেমে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মা ও তাঁর দুই বছর বয়সী সন্তান। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে বরগুনা সদরের ঢলুয়া ইউনিয়নের রায়ভোগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই নারীর নাম নুপুর বেগম (৩০)। তাঁর ছেলে শাহাদাৎ (২)।
৬ ঘণ্টা আগে
খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ি গ্রামে আম খাওয়ার পর একই পরিবারের পাঁচ সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় লতিকা সানা (৫৫) নামে এক নারী মারা গেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে