
এ টি এম মোজাফফর হোসেন
এ টি এম মোজাফফর হোসেন
সকল লেখা

আইইএলটিএস লিসনিং (পর্ব-৯.৬)
রেকর্ডিং শোনার আগে পরীক্ষা প্রস্তুতির অনুশীলনে কী করতে হবে, কীভাবে করতে হবে, কেন করতে হবে ইত্যাদি বিশদভাবে বর্ণনা করা হলো। এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো।

আইইএলটিএস লিসনিং (পর্ব-৯.২)
হয়তোবা রেকর্ডিং তখন সবাইকে স্বাগত জানিয়ে কথা শুরু করেছে—নির্দেশাবলি কথা বলছে, পরীক্ষা পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত করাচ্ছে, উদাহরণ টানছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তারপর কিছু সময় একদম চুপ, কোনো কথা নেই। এই সময়টুকু ইচ্ছাকৃত। এটাকে কাজে লাগাতে হবে, তবে কীভাবে? সেসব নিয়েই আজকের এই পাঠদান।

আইইএলটিএস লিসনিং (পর্ব-৮.২)
অনেক সময় কাছাকাছি শব্দ দিয়ে, একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে কিংবা একাধিক বিষয় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কিছু বিষয়ের অবতারণা করা হয়। একই আকার-আকৃতিতে অভিন্ন কাঠামোগত ব্যাকরণে গঠিত বাক্যে শব্দগুলো (ফ্রেজ, ক্লজ) অনেক সময় একই মাত্রার গুরুত্ব বহন করে। তখন তারা হয়ে ওঠে প্যারালাল স্ট্রাকচার।

আইইএলটিএস লিসনিং (পর্ব-৭.২)
কিছু শব্দ বা ফ্রেজ কোন বর্ণনার অবকাঠামো গঠন করে, গতিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি এটি কথার বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে, যা বলা হয়েছে এবং যা বলা হবে। এরাই ডিসকোর্স মার্কার।

আইইএলটিএস লিসনিং (পর্ব-৩.২)
এখানে একজন থেকে শুরু করে সর্বাধিক চারজনের মধ্যে কথোপকথন হয়। আলোচনা চলতে থাকে সামাজিক ও একাডেমিক বিভিন্ন বিষয়ে। বিষয়বস্তুর জটিলতা সহজ থেকে ক্রমেই বাড়ে। কথোপকথন প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে। এ সময় প্রশ্নপত্র ও রেকর্ডিং—উভয়ই প্রস্তুত থাকে। একবার শোনা রেকর্ডিংয়ে হারিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক।

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-৩.১)
বাক্যের অন্তর্গত বিশেষ্য বা ক্রিয়াপদের ভাবার্থ যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছের (ফ্রেজ) ওপর নির্ভর করে, তাই মডিফায়ার বা কোয়ালিফায়ার। কোনো বাক্য হতে নিয়ন্ত্রক শব্দ (গুচ্ছ) সরিয়ে নেওয়ার পরও ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি যখন সম্পূর্ণ থাকে, তখন সেটি মডিফায়ার।

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-২.৩)
এতক্ষণ প্রশ্নপত্র দেখেছেন, বিশ্লেষণ করেছেন এবং সম্ভাব্য উত্তর ধরে নিয়েছেন। এখন রেকর্ডিং শোনার পালা। এবার রেকর্ডিং শুনে প্রশ্নপত্রের ওপর নোট নিতে থাকুন। যেহেতু সম্ভাব্য উত্তর কী হবে তা আগে থেকে জানেন, তাই সঠিক উত্তর ধরতে পারা সহজ হবে। তবে যতটা সম্ভব নোট নিতে থাকুন। প্রয়োজন না হলে বাদ দেওয়া যাবে...

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-২.২)
এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো (Cambridge 12/Test 5/page 10)। পরীক্ষা প্রস্তুতির অনুশীলন কী, কেন এবং কীভাবে নিতে হবে ইত্যাদি বিশদভাবে বর্ণনা করা হলো। লিখেছেন এ টি এম মোজাফফর হোসেন, সেলটা, মোস্তাকিম শুভ, সেলটা।

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-২.১)
লিসেনিংয়ের ফাইনাল পরীক্ষায় বসার আগে বিস্তারিত একটা প্রস্তুতি প্রয়োজন। এখানে রেকর্ডিংয়ের আগে, পরে এবং রেকর্ডিং চলাকালীন কিছু করণীয় রয়েছে। এ কৌশল জানলে লিসেনিংয়ে সহজে ভালো করা সম্ভব। ইংরেজদের দেশে চলতে হলে যেমন ইংরেজিতে কথা বলতে হয়, তেমনি তাদের কথাগুলোও বুঝতে হয়। সুতরাং ভালো লিসেনিংয়ের বিকল্প নেই।

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-১.৬)
কাউকে যদি অফুরন্ত সময় দেওয়া হতো, তিনি হয়তো সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারতেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় কঠিন। এখানে সময়ের স্বল্পতা রয়েছে। এটিও পরীক্ষার অংশ। সুতরাং জানতে ও শিখতে হবে, কীভাবে অল্প সময়ে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়। টিপসগুলো জেনে অধিক অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতাটি অর্জন সম্ভব।

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-১.৫)
কথায় সহসাই দিক (তথা ঘটনা) পরিবর্তন—রেকর্ডিংয়ে বক্তা একটি বিষয়ে বলছে। কিছু প্রশ্নের সঙ্গে মিলেও যাবে। তবু সেটি উত্তর নয়। কারণ, কিছুক্ষণ পর হঠাৎ অন্য কিছু নিয়ে বলা শুরু করল, যা আগের বিষয় থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এটি একধরনের ফাঁদ। এখানে সর্বশেষ যে কথাটি

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-১.৪)
কি-ওয়ার্ডের সঙ্গে সঙ্গে পুরো বাক্যের (সেনটেন্স) অথবা অনুচ্ছেদের (প্যারা) মূল ভাবটা বুঝে নিতে হবে। কারণ যেকোনো কথোপকথন ‘কি-ওয়ার্ড’ এবং ‘মূল ভাবটা’ বারবার ফিরে আসে এবং ওসবের মধ্যে বা আশপাশেই উত্তরগুলো ঘুরপাক খায়। এই ধরুন, কোন বিবৃতিতে কোনো কলেজের বিজনেস শাখার কোন শ্রেণির পরিধি (ক্লাস সাইজ) সম্পর্কে বল

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-১.৩)
লিসেনিংয়ের প্রারম্ভে সার্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এখানে শব্দযন্ত্র পরীক্ষা করা তথা পরীক্ষা সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়। বিষয়টি আগে থেকে জানা থাকলে এই সময়টাকে অনেকভাবে কাজে লাগানো যায়। প্রত্যেক সেকশনের শুরুতে এমনটি হয়।

আইইএলটিএস লিসেনিং (পর্ব-১.২)
এখানে নিত্যদিনের প্রয়োজন তথা সামাজিক কিছু বিষয়ের কথা তুলে ধরা হয়। প্রধানত এখানে কোনো বিষয়ে তথ্য দেওয়া-নেওয়া হয়, যেমন ভ্রমণের আয়োজন করা, হোটেলে চেকইন, জব ইন্টারভিউ দেওয়া, ট্রেনের টিকিট করা, স্কুলে ভর্তি ইত্যাদি।
