
ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের সেনাবাহিনী এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় তাইগ্রে অঞ্চলের স্থানীয় বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্যে লড়াই তীব্র হওয়ায় ২০২২ সালে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই চুক্তি দুই বছরব্যাপী এক ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছিল।
ইথিওপিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা সাতটি সশস্ত্র গোষ্ঠী নতুন একটি জোট গঠন করে প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্য ঘোষণা করার কয়েক দিন পরই এই উত্তেজনা বেড়ে যায়। সর্বশেষ সহিংসতা শুরু করার জন্য সংঘাতের দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছে।
দেশটির অনেক মানুষের তাৎক্ষণিক আশঙ্কা হলো—প্রায় চার বছর ধরে যে যুদ্ধের ক্ষত থেকে তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, সেই যুদ্ধে আবার ফিরে যেতে হতে পারে।
তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট বা টিপিএলএফ ১৯৭০-এর দশকে ইথিওপিয়ার সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরে বাহিনীটি তিন দশক ধরে ইথিওপিয়া শাসনকারী জোটের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। বহুজাতিক এই দেশে টিপিএলএফের সেই প্রভাব নিয়ে বিতর্ক ছিল। কারণ ইথিওপিয়ার মোট জনসংখ্যার ৬ শতাংশের কম মানুষ তাইগ্রে জাতিগোষ্ঠীর মানুষ। ২০১৮ সালে আবি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ক্ষমতাসীন জোটের পরিবর্তে তিনি প্রসপারিটি পার্টি গঠন করেন। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারে টিপিএলএফের প্রভাব ব্যাপকভাবে কমে যায়।
আবি সরকারের সঙ্গে টিপিএলএফের সম্পর্ক ক্রমেই খারাপ হতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের নভেম্বরে যুদ্ধ শুরু হয়। ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় বাহিনী, ইরিত্রিয়ার সেনারা এবং প্রতিবেশী আমহারা অঞ্চলের কিছু যোদ্ধা তাইগ্রে বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে। এই সংঘাতে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হন, লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হন এবং তাইগ্রে অঞ্চল কার্যত বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ২০২২ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের অবসান ঘটে। তবে যুদ্ধের পেছনে থাকা কয়েকটি বিরোধের মীমাংসা ওই চুক্তিতে হয়নি।
সবচেয়ে গভীর বিরোধগুলোর একটি হলো পশ্চিম তাইগ্রে নিয়ে। প্রতিবেশী আমহারা অঞ্চলের যোদ্ধারা ২০২০-২০২২ সালের যুদ্ধে ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে পশ্চিম তাইগ্রে অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এতে কয়েক লাখ তাইগ্রে জনগণকে তাদের বাড়িঘর থেকে বিতাড়িত করা হয়। এখন তাইগ্রে গোষ্ঠীর নেতারা ওই ভূখণ্ড ফিরিয়ে দেওয়ার এবং বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
তবে আমহারার অনেক মানুষ তাইগ্রের এই ভূখণ্ডের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের যুক্তি, ১৯৯২ সালে সামরিক সরকারের পতনের পর ইথিওপিয়ার আঞ্চলিক সীমানা পুনর্নির্ধারণের সময় পশ্চিম তাইগ্রেকে তাইগ্রে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করাই উচিত ছিল না। টিপিএলএফ এবং আমহারা ফানো ন্যাশনাল মুভমেন্ট এখন আবি আহমেদের সরকারের বিরুদ্ধে একই জোটে যোগ দিলেও এই বিরোধ এখনো চলমান।
কেন্দ্রীয় সরকার আরও বলছে, তাইগ্রে বাহিনী তাদের যে অস্ত্রসম্ভার হস্তান্তর করার কথা ছিল, তা এখনো রেখে দিয়েছে। অন্যদিকে তাইগ্রের নেতারা বলছেন, সরকার অন্যান্য বাহিনী প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে এবং বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে, বিশেষ করে পশ্চিম তাইগ্রেতে।
যুদ্ধের পর গড়ে ওঠা রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনাও ভেঙে পড়েছে। দেব্রেতসিয়ন গেব্রেমিখাইলের নেতৃত্বাধীন টিপিএলএফের একটি অংশ চলতি বছরের শুরুতে তাইগ্রের প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ আবার নিজেদের হাতে নেয়। এর ফলে শান্তিচুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী প্রশাসনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
অক্সফোর্ড ইকোনমিকস আফ্রিকার জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষক জারভিন নাইডু আল জাজিরাকে বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে প্রিটোরিয়া চুক্তি টিকে থাকলেও উভয় পক্ষই ধারাবাহিকভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।’ তিনি বলেন, পশ্চিম তাইগ্রে নিয়ে ক্ষোভ, বাইরের বাহিনীর উপস্থিতি এবং অঞ্চলটির স্বায়ত্তশাসন নিয়ে তাইগ্রেয়ের মানুষের অসন্তোষ এখনো রয়ে গেছে।
কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য টিপিএলএফকে ভিন্নভাবে দেখে। নাইডুর মতে, সরকার টিপিএলএফকে ‘ইথিওপিয়াকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা একটি যুদ্ধংদেহী গোষ্ঠী’ হিসেবে তুলে ধরবে। তিনি বলেন, তবে তাইগ্রেয়ের নেতাদের ক্ষেত্রে নতুন করে লড়াইকে তারা নিজেদের অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখার বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।
চলতি মাসে সাতটি সশস্ত্র আন্দোলন ‘ইথিওপিয়ান পিপলস’ ফোর্সেস অ্যালায়েন্স ফর সারভাইভাল’ নামে একটি জোট গঠনের ঘোষণা দেয়। এর সবচেয়ে বড় সদস্যদের মধ্যে রয়েছে টিপিএলএফ, আমহারা ফানো ন্যাশনাল মুভমেন্ট এবং ওরোমো লিবারেশন আর্মি বা ওএলএ। এ ছাড়া ইথিওপিয়ার সোমালি, আফার এবং বেনিশানগুল-গুমুজ অঞ্চল থেকে আসা কয়েকটি গোষ্ঠীও এতে রয়েছে।
গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্য ও ইতিহাস ভিন্ন হলেও তাদের একটি অভিন্ন ঘোষিত উদ্দেশ্য রয়েছে, আর তা হলো আবি আহমেদের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা।
তাদের এই চুক্তি গত যুদ্ধের সময় গড়ে ওঠা জোটগুলোর ক্ষেত্রে এক নাটকীয় পরিবর্তন নির্দেশ করে। কারণ ফানো যোদ্ধারা তখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে টিপিএলএফের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। এখন সেই ফানোই টিপিএলএফের সঙ্গে জোট বেঁধে আবি সরকারের বিরুদ্ধে লড়ছে।
প্রিটোরিয়া চুক্তি এসব সম্পর্ক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। চুক্তিটি আদ্দিস আবাবা ও টিপিএলএফের মধ্যকার যুদ্ধের অবসান ঘটায়। তবে ইরিত্রিয়া ও আমহারা বাহিনী, যারা সরকারকে সমর্থন করেছিল, এই চুক্তির অংশ ছিল না। পরবর্তী সময়ে তাদের দুজনের সঙ্গেই আবি সরকারের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
নতুন এই জোট উত্তর ইথিওপিয়ার বাইরেও বিস্তৃত। ২০১৮ সাল থেকে মধ্য ইথিওপিয়ার ওরোমিয়া অঞ্চলে ওএলএ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। একই বছর সরকারের সঙ্গে আলাদা একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা ওগাদেন ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের বা ওএনএলএফের একটি অংশও এই জোটে যোগ দিয়েছে। তবে ইথিওপিয়ার সোমালি অঞ্চলে থাকা ওএনএলএফের নেতৃত্ব বলছে, তারা নতুন এই জোটের অংশ নয়।
আবি সরকারের বিরোধিতা করাই যে এসব গোষ্ঠীকে ইথিওপিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে একমত করেছে, তা নয়। পশ্চিম তাইগ্রে নিয়ে তাইগ্রে ও আমহারা সদস্যদের মধ্যে এখনো পরস্পরবিরোধী দাবি রয়েছে। ইথিওপিয়া সরকার আরও অভিযোগ করেছে, ইরিত্রিয়া এই জোটকে সমর্থন করছে। ইরিত্রিয়া অবশ্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে।
চলতি সপ্তাহের উত্তেজনা তীব্র হওয়ার আগে ছোট পরিসরের সংঘর্ষ এবং ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়। এরপর দক্ষিণ তাইগ্রেয়ে লড়াই তীব্র হয় এবং তা প্রতিবেশী আফার ও আমহারা অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ বড় ধরনের সংঘর্ষ শুরু করার জন্য দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছে। তাইগ্রে বাহিনীর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর স্থলসেনা ও ড্রোনের সমন্বয়ে চালানো একটি অভিযানের জবাব দিতে তারা লড়াই শুরু করে। অন্যদিকে সরকারপক্ষের অভিযোগ, টিপিএলএফই প্রথম হামলা চালিয়েছে।
লড়াই অব্যাহত থাকায় পৃথক হামলার ঘটনা এবং কোন পক্ষ কতটা ভূখণ্ড দখল করেছে, সে বিষয়ে পাওয়া দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আল জাজিরার সাংবাদিক ক্যাথরিন সোই কেনিয়া থেকে জানিয়েছেন, ‘সীমান্তবর্তী শহর আবালায় রাতভর লড়াই হয়েছে।’ উত্তর আফারের তাইগ্রে সীমান্তে অবস্থিত এই শহরটি আগের যুদ্ধেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শহরটির নিয়ন্ত্রণ কার হাতে রয়েছে, তা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন পাওয়া গেছে।
আমহারা অঞ্চলের আরেকটি ফ্রন্টে ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ২৭০ জনের বেশি বিদ্রোহী যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তাইগ্রে বাহিনী মেকেলে, আকসুম এবং শিরে বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, যার ফলে বেসামরিক বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। আফ্রিকান ইউনিয়ন বলেছে, বিমানবন্দর দখলের ঘটনা প্রিটোরিয়া চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সর্বশেষ এই উত্তেজনা শুরুর আগে আগের যুদ্ধের কারণে তাইগ্রেয়ের ভেতরেই প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় ছিলেন।
এমন ঝুঁকি রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংঘাত এখনো পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়নি। লড়াই তাইগ্রেয়ের সীমানা পেরিয়ে গেছে এবং কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সশস্ত্র সংঘাতের মুখোমুখি হচ্ছে। আঞ্চলিক পর্যায়েও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগের তাইগ্রে যুদ্ধে ইরিত্রিয়া ইথিওপিয়ার সরকারের পাশে থেকে লড়াই করেছিল। কিন্তু এরপর দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এর একটি কারণ হলো লোহিত সাগরের বন্দরগুলোতে প্রবেশাধিকার পাওয়ার জন্য আবি সরকারের উদ্যোগ।
আদ্দিস আবাবা ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে ইথিওপিয়ার ভেতরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ করেছে। আফ্রিকান ইউনিয়ন এই উত্তেজনা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে এবং প্রিটোরিয়া চুক্তির আওতায় আবারও আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে।
২০২২ সালের চুক্তিতে মধ্যস্থতায় সহায়তা করা নাইজেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ওলুসেগুন ওবাসানজোকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করার দায়িত্বও দিয়েছে আফ্রিকান ইউনিয়ন। পূর্ব আফ্রিকান আঞ্চলিক জোট ইন্টারগভর্নমেন্টাল অথরিটি অন ডেভেলপমেন্ট বা আইজিএডি (IGAD) ও প্রতিবেশী দেশগুলোকে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যা সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।

ভারত দশকের পর দশক ধরে হিমালয় অঞ্চলের একটি বিতর্কিত অংশকে পাকিস্তান-চীন সীমান্ত বলে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। নয়াদিল্লির দাবি, ওই অঞ্চল ভারতের নিজস্ব ভূখণ্ড। কিন্তু গত সপ্তাহে পাকিস্তান ও চীন ওই পার্বত্য অঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত অংশে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সীমান্ত নির্ধারণ করে।
২ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধের সাত মাস পর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে হাজির হয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
২ দিন আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানকে ঘিরে দেশটির সামরিক বাহিনী ও সরকারের সংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে। কারাগারে বন্দী থাকার তিন বছরের বেশি সময় পরও ইমরানের জনপ্রিয়তা কমেনি।
২ দিন আগে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাননি। তাঁর স্থলে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। নিউইয়র্কে চলা সাধারণ পরিষদের বিতর্কে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ভারতের হয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে...
২ দিন আগে