
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছিলেন, তেহরান দুই দশকের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধগুলোকে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছে। উদ্দেশ্য এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যার ফলে রাজধানী বোমায় বিধ্বস্ত হলেও সারা দেশ লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলার এবারের ধরন দেখে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, দেশটি সেখানে এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে চাচ্ছে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল, মধ্যাঞ্চলে থাকা রাজধানী বৈরুত এবং তার কিছুটা উত্তর-পূর্বে থাকা বেকা উপত্যকা অঞ্চলে ক্রমাগত বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে একযোগে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। গতকাল শনিবার তাঁর রাষ্ট্রীয় বাসভবন লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে।

ভারত বর্তমানে ইসরায়েলের অস্ত্রের বৃহত্তম ক্রেতা। প্রতি বছর ভারতের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্পে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধের মধ্যেও ভারতীয় সংস্থাগুলো ইসরায়েলে রকেট ও বিস্ফোরক বিক্রি করেছে।