১৯৩০-এর দশকে প্রাচীন পারস্যের রাজধানী পারসেপোলিসের ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা কিছু প্রাচীন মাটির ফলক উদ্ধার করেন। ৫১৫ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের সেই ফলকগুলোতে রাজকীয় হেঁশেলের প্রয়োজনীয় উপাদানের তালিকা ছিল। সেখানে ছিল ফেসেনজান তৈরির মূল উপকরণগুলোর নামও। এটি আসলে ইরানের একটি বিখ্যাত ও অত্যন্ত সুস্বাদু ঐতিহ্যবাহী মাংসের পদ। স্বাদের কারণেই হয়তো একে ফারসি রান্নার ‘রানি’ বলা হয়। এই রানি রান্না করতে হয় মিহি বাটা আখরোট, ঘন ডালিমের পেস্ট এবং মুরগি, হাঁস কিংবা গরুর মাংসের কিমা বা মিটবল দিয়ে। ডালিমের টক ভাব এবং আখরোটের বাদামি ক্রিমি ভাব এই খাবারে এক অনন্য স্বাদ আনে। সাধারণত বাসমতী চালের ভাতের সঙ্গে এটি পরিবেশন করা হয়। খাবারটির আধুনিক রূপের উৎপত্তি মূলত উত্তর ইরানের গিলান প্রদেশে। কাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী অঞ্চলটি বন্য হাঁস, আখরোট ও ডালিমগাছের জন্য বিখ্যাত। গিলানবাসী যেকোনো খাবারে ফল ও টক-মিষ্টি স্বাদের মিশ্রণ পছন্দ করেন, যা ফেসেনজান তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।
ছবি: হোলি এ হেয়সার

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ টোগোতে একধরনের স্থানীয় বেগুনগাছ আছে, যার পাতার স্বাদ অনেকটা পালংশাকের মতো। একে বলা হয় বোমা। এই বোমাপাতা দিয়ে টোগোবাসী গরুর মাংসের একটি তরকারি রান্না করে। পদটির নাম বোমা দেসি। টোগোর দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় এই রান্নার উৎপত্তি হলেও বর্তমানে এটি সারা দেশে একটি পছন্দের...
৭ দিন আগে
জাম্বিয়ার গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বাড়ির আঙিনায় বা খামারে তারা প্রচুর পরিমাণে কুমড়াপাতা, মিষ্টি আলুর পাতা এবং স্থানীয় শাকসবজি চাষ করত। এসব শাক-পাতা দিয়ে তারা রান্না করে ইফিসাশি। মূলত জাম্বিয়ার উত্তরাঞ্চলের বেম্বা উপজাতির ঐতিহ্যবাহী খাবার এটি।
১৪ দিন আগে
হাঁস রোস্ট করার সবচেয়ে প্রথম লিখিত উল্লেখ পাওয়া যায় চীনের উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময়কালের একটি রান্নার বইয়ে। ১২৭১ সালে মঙ্গোল নেতা কুবলাই খান যখন ইউয়ান রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন, তখন এই খাবারটি রাজকীয় খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে ওঠে।
২১ দিন আগে
একসময় শিক্ষাকে একটি ফুটো পাত্র আকারে দেখা হতো, যেখানে হয়তো একজন পানি দিচ্ছে কিংবা কেউ শিক্ষাকে মন্ত্র হিসেবে দেখছেন; যার জোরে যে কেউ তাঁর নিজের মতো করে জ্ঞানের রাজ্যে হাঁটতে পারেন। ‘অন্বেষণ ও সৃষ্টি’র পথে নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত থেকে উন্নততর করে তুলতে পারেন। ওই ধারার শিক্ষার কথা বলছেন ভনহাম বোল্ডট।
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬