২০১৪ সালে শেন জার্গেনসন বিদায়ের পর বাংলাদেশে ক্রিকেটে শুরু চন্ডিকা হাথুরুসিংহের অধ্যায়। ২০১৭ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে প্রথম মেয়াদ শেষ হয় তাঁর। তারপর রাসেল ডোমিঙ্গোর জামানা। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় হাথুরুর দ্বিতীয় মেয়াদ। এই পথচলায় আজ আবারও বাংলাদেশের সঙ্গে পড়ল তাঁর সমাপ্তি রেখা।
হাথুরুর সঙ্গে বাংলাদেশের আরও একবার বিচ্ছেদ হলেও এই দেশের ক্রিকেটে দুটি কারণে এই শ্রীলঙ্কান কোচকে মনে রাখতে হবে। প্রথমত, অর্জনে দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল কোচ বলা যেতে পারে তাঁকে। দ্বিতীয়ত, ঝামেলা-ঝক্কিতেও সবচেয়ে এগিয়ে হাথুরু। দলের মধ্যে কর্তৃত্ব, প্রভাব খাটানো, সিনিয়র খেলোয়াড়দের যথার্থ মূল্যায়ন না করা, দলে বিভাজন তৈরি ও আচরণগত সমস্যা নিয়ে খেলোয়াড়-কোচ, টিম ম্যানেজমেন্টের কেউ কেউ বিভিন্ন সময় কথা বলেছেন।
দল নির্বাচনে হস্তক্ষেপের কারণেই হাথুরুর প্রথম মেয়াদে বর্তমান বিসিবি সভাপতি পদত্যাগ করেছিলেন প্রধান নির্বাচক পদ থেকে। সেই ফারুকের সভাপতির মেয়াদে এবার বিদায় নিতে হলো তাঁকে। গত বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে তামিম ইকবালের সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে ওঠে হাথুরুর দ্বন্দ্ব। শেষ পর্যন্ত তামিম বাদ পড়েন বিশ্বকাপ থেকে। সাকিব আল হাসান-তামিমের সম্পর্কের অবনতি নিয়েও তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি তাঁকে।
সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে স্পিনার নাসুম আহমেদ হাথুরুর দ্বারা নিগৃহীত হয়েছেন বলেও সত্যতা পেয়েছে বিসিবি। প্রধান পাওনার চেয়ে বেশি ছুটি কাটিয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা। তাঁর অধীনের বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সিরিজের কিছু অর্জন থাকলেও দ্বিতীয় মেয়াদে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশায় ডুবিয়েছে দল।
২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পর্যন্ত মেয়াদ ছিল হাথুরুর, সেই পর্যন্ত আর টিকলেন না। বিসিবির নতুন সভাপতি হয়ে ফারুক আহমেদ স্পষ্ট জানিয়েছিলেন হাথুরুর বিকল্প খোঁজার কথা। সর্বশেষ বোর্ড সভা শেষেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে হাথুরুসিংহেকে নিয়ে।
তারপরও হাথুরুর অধীনে যত অর্জন, তাতে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটে ইতিহাসে সেরা কোচ বলতে হবে তাঁকেই। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ওয়ানডে জিতেছে ১৫৯ টি। হাথুরুসিংহের অধীনে জিতেছে ৩৫ টি, ডেভ হোয়াটমোরের অধীনে ৩২ টি, জেমি সিডন্সের ৩১, ডোমিঙ্গো ২১ ও স্টিভ রোডস ১৭ টি।
টেস্টেও হাথুরুর অধীনে এগিয়ে বাংলাদেশ। তাঁর অধীনে দুই মেয়াদে ৩১ টেস্টে ১১ জয়, ১৬ হার ও ৪টি ড্র করেছে তারা। ডোমিঙ্গো ও রোডসের অধীনে সর্বোচ্চ ৩টি করে টেস্ট জিতেছিল বাংলাদেশ। হাথুরুর দ্বিতীয় মেয়াদে ১০টি টেস্ট খেল ৫ টিতে হার ও ৫ টিতে জয় পেয়েছে তারা। নিউজিল্যান্ডকে প্রথমবারের মতো হারিয়েছে টেস্ট। পাকিস্তানের মাঠে এবং তাদের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয় ছিল অসাধারণ অর্জন।
এ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের মাঠে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি জয়ের কীর্তি গড়ে বাংলাদেশ দল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার পেয়েছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়। পাশাপাশি চলেছে ব্যর্থতাও—নিজেদের মাঠে আফগানদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হার। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দলের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই। নিজেদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে বিশ্বকাপ কাটানো।
বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের কাছে হার। শ্রীলঙ্কার কাছে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজ হার। সর্বশেষ ভারত সফরে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে বাংলাদেশ।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে যোগ করা হলো আরও ৫ মিনিট।দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস তখন হয়তো মনে মনে অতিরিক্ত সময়ের কৌশল সাজাচ্ছিলেন। গ্যালারিতে থাকা হাজারো দর্শকও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আরও ৩০ মিনিটের স্নায়ুচাপের জন্য। কিন্তু ফুটবল বিধাতার মনে তখন অন্য এক নাটকীয় চিত্রনাট্য লেখা।
৫ ঘণ্টা আগে
মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মানেই যেন ইউরোপ আর লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ, যেখানে এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলো যেত শুধুই দু-একটা ‘অঘটন’ ঘটানোর স্বপ্ন নিয়ে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন পুরোনো সব চেনা হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের হাওয়া দুই মহাদেশে লেগেছে ভিন্ন সমান্তরালে।
৬ ঘণ্টা আগে
কিন্তু শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন হর্ষিত রানা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ রান। হ্যারি টেক্টরের করা সেই নাটকীয় ওভারে ছিল ওয়াইড, নো-বল আর বাউন্ডারির ছড়াছড়ি। সমীকরণ যখন ২ বলে ৮ রান, তখন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন হর্ষিত রানা। শেষ বলে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৭ রান, স্ট্রাইকে থাকা প্রিন্
৮ ঘণ্টা আগে