দেশের বিধিবিধান ও আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রাখায় ফেসবুক-টিকটকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আজ রোববার (২৮ জুলাই) মোবাইল অপারেটর ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গতকাল (২৭ জুলাই) ফেসবুক, টিকটক ও অন্যান্য পপুলার সোশ্যাল মিডিয়াকে চিঠি দিয়েছি। ৩১ জুলাই ঢাকায় এসে লিখিত এবং মৌখিকভাবে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা যৌক্তিক ও সন্তোষজনক জবাব দিলে মাধ্যমগুলো খুলে দেওয়া হবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যে কন্টেন্টগুলো মুছতে বলেছি, তার খুব কমই তারা মুছেছে। উগ্রপন্থিদের পেজ চালু থাকলেও আওয়ামী লীগসমর্থিত ৫০টি পেজ টেকডাউন করা হয়েছে।’
পলক জানান, সরকার কোনো এপ্লিকেশন বন্ধ করেনি। সারাদেশে ইন্টারনেটও বন্ধ করা হয়নি। চলমান পরিস্থিতির কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাকে সহযোগিতা করার জন্য কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে ইন্টারনেট ডাউন করা হয়েছিল। এছাড়া সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারীরা ডেটা সেন্টার ও ইন্টারনেট সংযোগ লাইন পুড়িয়ে ফেলায় ও কেটে ফেলায় বিভিন্ন জায়গায় ইন্টারিনেট সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনও অ্যাপ বন্ধ রাখার পক্ষে নই। বিশ্বের মোড়লরাই এসব করে।’
এর আগে প্রতিমন্ত্রী জানান রোববার বিকাল ৩টায় সারা দেশে ফোর-জি নেটওয়ার্ক চালু হবে। সংযোগ বন্ধ থাকায় বিনিময়ে ৫ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট পাবেন মোবাইল গ্রাহকরা।

আট বছর ও তার কম বয়সী শিশুদের জন্য ‘নেটফ্লিক্স প্লেগ্রাউন্ড’ নামে নতুন একটি অ্যাপ চালু করেছে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স। গত সোমবার এই অ্যাপটি চালু হয়। ভিডিও গেমের বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে জনপ্রিয় সব শো-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি গেম ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই অ্যাপটি...
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কলমও এখন স্মার্ট হচ্ছে। কলম দিয়ে খাতায় লেখা সংরক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমেও সংরক্ষণ করা যাবে। তেমন কিছু স্মার্ট পেন আছে বাজারে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সময়ের কিশোর-কিশোরীদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)। তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সন্তান এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিশাল এক মানসিক ও তথ্যগত দূরত্ব তৈরি হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
একটা সময় ছিল, যখন রোবট ব্যবহার করা হতো শুধু কাজের গতি বাড়ানোর জন্য। কিন্তু ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে জাপানের জন্য এটি আর বিলাসিতা নয়, বরং শিল্পের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রধান হাতিয়ার। জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য হলো, ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ফিজিক্যাল এআই খাতের ৩০ শতাংশ...
২০ ঘণ্টা আগে