মাত্র একদিনের ব্যবধানে দেশব্যাপী দ্বিগুণের বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে এ সময়ে নতুন করে কারও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র ওঠে এসেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫৫ জন। যা বিগত ২৪ ঘণ্টায় ছিল ৭৫ জন। এসব রোগীর মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বাইরে ৬৫ জন, ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৯ জন, উত্তরে ১৮ জন, সিটির বাইরে ১৭ জন, বরিশালে ১১ জন, খুলনায় ১০ জন এবং ময়মনসিংহে দুজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ রোববার পর্যন্ত ৪৮ জন মারা গেছেন। আর এ সময়ে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত ও ভর্তি হয়েছেন চার হাজার ৫৬৬ জন। এসব রোগীর মধ্যে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ নারী ও ৬৭ দশমিক ৫ শতাংশ পুরুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হওয়া ৪৮ জনের মধ্যে ৩০ জনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের। চারজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে, আটজন বরিশাল বিভাগে, চট্টগ্রাম সিটিতে একজন এবং সিটির বাইরে চারজন।

দেশে চলমান হাম প্রাদুর্ভাবকে শিশুদের জন্য একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। সংস্থাটি বলেছে, এ পরিস্থিতি শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবনের অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানছে এবং তাৎক্ষণিক, সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের রোগী বাড়তে থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগী ফেরত না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শয্যা সংকটের কারণ দেখিয়ে কোনো রোগীকে অন্যত্র পাঠানো যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। সে সঙ্গে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ১৭০ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৭৪ জন।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৯ জনের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৩৪ জনে। একই সময় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে।
২ দিন আগে